প্রকাশ: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৪ পিএম (ভিজিটর : ১২৫)
এবার একুশে বই মেলা শুর হয়েছে মাসের শেষ সপ্তাহে। ফলে অন্যান্য বছরের তুলনায় একটু ছন্দপতন আছে। মেলার যে উপকরণ মানুষের পকেটে থাকে, মাস শেষে সেটা থাকে না। মাস পেরুবার পরেই ধীরে ধীরে জমে ওঠে বই মেলা। তবে যে আশঙ্কা করেছিলাম এবার বই মেলায় লোক আসবে না। সে আশঙ্কা সত্যি হয়নি। লোকজন এসেছে। মেলায় মানুষ শুধু বই কিনতে আসে না। তারা বই দেখতে আসে. পছন্দ করতে আসে। বছরের অন্য সময়েও সে বইটা কিনতে পারে। মেলাটা জরুরি। মেলাকে কেন্দ্র করে প্রকাশকরা নতুন বই প্রকাশ করে। লেখকরাও ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা লেখাগুলো একত্র করে পান্ডুলিপি আকারে তৈরি করে প্রকাশকের স্মরণাপন্ন হন। এভাবে মেলাকেন্দ্রিক একটা প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হয়।
কথাগুলো বলছিলেন লেখক গবেষক গীতিকার ও বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. তপন বাগচী। তিনি মেলার বিভিন্ন স্টল ঘরে দেখছিলেন। তার সাথে এই প্রতিবেদকের দেখা হয় পুথিপ্রকাশের স্টলে। তিনি বলেন, মেলায় দশ কপি বই বিক্রি হলে আমি ধারণা করি অনলাইনে আরো একশ কপি বিক্রি হয়। সব পুস্তক ব্যবসায়ীই বলেন এবার বিক্রি ভালো হয়নি। গতবছর এর চেয়ে ভালো ছিল। গতবার অন্তবর্তী সরকারের সময়েও অনেক আশঙ্কা ভেদ করে বই মেলা হয়েছে। তখনকার মেলাও কিন্তু খারাপ হয়নি।
বাংলা একাডেমির এই পরিচালক এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, সব দলমতের নির্যাস ফুটে ওঠে বই মেলায়। মার্কসবাদী কেই মার্কসবাদের বই কিনেন, জাতীয়তাবাদী কিংবা ধর্মনিরপেক্ষ কেই সেই ধরনের বই কিনেন, আবার ধর্মবিশ্বাসের লোকজন সেই ধরনের বই কিনেন। কাজেই বই মেলাটা সবার জন্য। এটি সব মতের সম্মীলনে অনুষ্ঠিত হয়। মেলাটি তাই প্রাণের মেলা হয়ে ওঠে।