প্রকাশ: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৫ পিএম (ভিজিটর : ৮৭)
আজ ০১ মার্চ,২০২৬ বেলা ২.০০ ঘটিকায় ইয়ূথ টাওয়ার ৮২২/২ রোকেয়া সরণীতে, লেখালেখি সাহিত্য পুরস্কার, জাতীয় কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় লেখালেখি সাহিত্য পুরস্কার, জাতীয় কমিটি ২০২৫ সালে লেখালেখি সাহিত্য পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন কবি ড. মাহবুব হাসান এবং ২০২৬ সালের লেখালেখি সাহিত্য পুরস্কার এর জন্য নির্বাচিত হয়েছেন কবি আবদুল হাই শিকদার। শিল্প সাহিত্য অঙ্গনে অনন্য সফলতার জন্য তাদেরকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। উক্ত দুই বছরের পুরস্কার শিগগীর একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যথাক্রমে কবি ড. মাহবুব হাসান ও কবি আবদুল হাই শিকদার কে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রদান করা হবে।
উল্লেখ্য যে ২০১৩ সালে থেকে লেখালেখি সাহিত্য পুরস্কারচালু করা হয় । কবি আল মাহমুদ, কবি আল মুজাহিদী, কবি আসাদ চৌধুরী ও ভাষা সৈনিক অধ্যাপক আবদুল গফুর লেখালেখি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন ।
ড. মাহবুব হাসান: তিনি একজন বহুমাত্রিক লেখক। তিনি কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, গবেষক, চিন্তক ও ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক। কবিতায় তিনি উত্তর-ঔপনিবেশিক উত্তর-আধুনিক চেতনার মাধ্যমে নতুন ঐতিহ্যের পথ নির্মাণ করে চলেছেন। সে কারণেই তাঁকে কবিতায় পুরস্কার দেয়া হলো। জন্ম ১৯৫৪ সালের ২৮ এপ্রিল, টাঙ্গাইলে। পড়াশোনো করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। পিএইচ.ডি করেছেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের কবিতা নিয়ে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিনি দুই পুত্রের পিতা। এবং তাঁর আছে একটি নাতনি। তিনি ঢাকায় বসবাস করছেন।
কবি আবদুল হাই শিকদার: কবি আবদুল হাই শিকদার ১৯৫৭ সালের ০১ জানুয়ারিতে কুডিগ্রাসের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার দুধকুমার নদীর তীরে দক্ষিণ ছাট গোপালপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন । রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১৯৭৯ সালে বাংলায় স্নাতক (সম্মান) সম্পন্নকরেন। তারপর দীর্ঘ বিরতির পর শান্তমরিয়ম বিশ্ববিদ্যাল থেকে ২০০৬ সালে বাংলা সাহিত্যে এম.এ ডিগ্রী অর্জন করেন। সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় কাজ করেন। বর্তমানে দেশের শীর্ষ¯’ানী সংবাদ মাধ্যম দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক। তিনি বিশিষ্ট গবেষক। নজরুল নিয়ে তার অনেক বই আছে যা তাকে কবির পাশাপাশি একজন অগ্রগণ্য গবেষক হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে। তিনি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বিএনপির চেয়ার পারসনের তিনি উপদেষ্টা।