প্রকাশ: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৪:৩৩ পিএম আপডেট: ০৪.০৫.২০২৬ ৪:৫৯ পিএম (ভিজিটর : ২৮)
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা গ্রামে স্কুলছাত্রী মনিরা খাতুনের মৃত্যু ঘিরে রহস্য ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে।
শুক্রবার (১ মে) বিকেল ৫টার দিকে নিজ বাড়িতে জানালার গ্রিলের সঙ্গে উড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। তবে তার মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া একটি অন্তিম চিরকুটকে ঘিরে এ ঘটনা নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
নিহত মনিরা উপজেলার চান্দাইকোনা এলাকার স্কুল শিক্ষক মো. রইচ উদ্দিনের মেয়ে।
স্বজনেরা জানান, গত ১ মে বিকালে মুনিয়া তার নিজ শোবার ঘরে একটি চিরকূট লিখে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। চিরকূটে আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারীর পরিচয় উল্লেখ ছিল। পুলিশ ভিকটিমের মরদেহের সাথে চিরকূট উদ্ধার করলেও অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়নি
প্রভাবশালী মহলের ভয়ভীতির কারণে ভুক্তভোগী পরিবার প্রথম তিনদিন এই আত্মহত্যার বিষয়ে মুখ খোলেনি এবং কোনো অভিযোগও দায়ের করেননি। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ নিয়ে জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
নিহতের পিতা মো. রইচ উদ্দিন জানান, তিনি এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করার প্রস্ততি নিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানান, তিনি মেয়ের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অন্যদিকে একই দিন সোমবার সকালে চান্দাইকোনা এলাকায় স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, এনজিও কর্মী ও সচেতন নাগরিক সমাজ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, মুনিয়ার মৃত্যু রহস্য দ্রুত উদঘাটন করতে হবে এবং দায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তারা চিরকুট প্রকাশসহ ঘটনার স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানান।
এবিষয়ে সোমবার রায়গঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, এই ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এখনো পায়নি। শুনেছি আজ একটি মানববন্ধন হয়েছে। পরিবার এখনো মামলা করেনি। পরিবার যদি মামলা করে, অবশ্যই আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবো। চিরকুট আমাদের কাছেও আছে।