প্রকাশ: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১২:৫০ পিএম আপডেট: ০৩.০৫.২০২৬ ১২:৫২ পিএম (ভিজিটর : ১২৬)
পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ কবে অনুষ্ঠিত হতে পারে, তা নিয়ে সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।
তাদের গাণিতিক ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আগামী ২৭ মে পাকিস্তানে পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
শনিবার (০২ মে) পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আগামী ১৬ ও ১৭ মে-র মধ্যবর্তী রাত ১টা ১৫ মিনিটে নতুন চাঁদের জন্ম হবে। ১৭ মে সন্ধ্যার সময় চাঁদের বয়স ১৮ ঘণ্টার বেশি হবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, খালি চোখে চাঁদ দেখার জন্য এই বয়সটি যথেষ্ট। যদি ওইদিন আবহাওয়া পরিষ্কার থাকে, তবে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। আর ১৭ মে চাঁদ দেখা গেলে ১৮ মে হবে জিলহজ মাসের প্রথম দিন। সেই হিসেবে ১০ই জিলহজ অর্থাৎ ২৭ মে ঈদুল আজহা উদযাপিত হতে পারে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এই পূর্বাভাসকে সমর্থন জানিয়েছে পাকিস্তানের চাঁদ দেখা কমিটিও। কমিটির মহাসচিব খালিদ আইয়াজ মুফতি জানিয়েছেন, বৈজ্ঞানিক তথ্য-উপাত্ত এই তারিখের সম্ভাবনাকেই জোরালোভাবে সমর্থন করছে। তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৭ মে করাচিতে সূর্যাস্তের পর প্রায় ৫৫ মিনিট এবং পেশোয়ারে প্রায় ৬৩ মিনিট পর্যন্ত চাঁদ আকাশে অবস্থান করবে, যা স্পষ্টভাবে চাঁদ দেখার জন্য অনুকূল।
তবে বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করছে আকাশ পরিষ্কার থাকা এবং চাঁদ দেখার ওপর। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যদি ১৭ মে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা না যায়, তবে চলমান জিলকদ মাসটি ৩০ দিন পূর্ণ করবে। সেক্ষেত্রে ঈদুল আজহা একদিন পিছিয়ে ২৮ মে পালিত হবে। তবে প্রথা অনুযায়ী, চাঁদ দেখার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় চাঁদ দেখা কমিটি (রুয়েত-ই-হিলাল কমিটি)।
বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে ঈদুল আজহা অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব। জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই হজের তারিখ এবং কোরবানির ঈদের দিন নির্ধারিত হয়। প্রতি বছরই জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বৈজ্ঞানিক হিসাবের মাধ্যমে একটি সম্ভাব্য তারিখ প্রদান করেন, যা পরবর্তীতে ধর্মীয় কমিটির সিদ্ধান্তের মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হয়।
এমটিআই