প্রকাশ: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম (ভিজিটর : ২০)
বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে যাচ্ছে শক্তিশালী একটি ঘূর্ণিঝড়। এটি ২০ থেকে ৩০ মে’র মধ্যে খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলে তাণ্ডব চালাতে পারে। একই সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূলও তছনছ করে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভারতের গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
গত কয়েক দিন ধরেই দেশজুড়ে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি চলছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষি। সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। এমনকি বজ্রপাতে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। এর মধ্যেই মে মাসজুড়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়, তীব্র কালবৈশাখী ঝড়, বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির শঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সংস্থাটি মে মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে জানিয়েছে, চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে অন্তত একটি নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে, যা দেশের উপকূল অঞ্চগুলোতে আঘাত হানতে পারে।
এ ছাড়া মে মাসে দেশে এক থেকে তিনটি মৃদু (৩৬-৩৭.৯ সেলসিয়াস)/মাঝারি (৩৮-৩৯.৯ সেলসিয়াস), যার মধ্যে একটি তীব্র (৪০-৪১.৯ সেলসিয়াস) তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে মে মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
এ সময়টাতে দেশে বিক্ষিপ্তভাবে শিলাসহ হালকা/মাঝারি—যার মধ্যে দুই থেকে তিনদিন তীব্র কালবৈশাখী ঝড়সহ বৃষ্টি/বজ্রসহ—বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। তবে এ মাসে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে।
দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে। তবে বিচ্ছিন্ন ভারি বৃষ্টিপাতে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীসমূহের পানি সমতল সময় বিশেষে বৃদ্ধি পেতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
এদিকে ভারতীয় বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমও ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে। বলা হচ্ছে, মে মাসে হতে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে আঘাত হানতে পারে।
এমটিআই