
সরেজমিনে দেখা গেছে, নদে বাঁশ, কাঠ ও বাঁশের বানা দিয়ে উঁচু কাঠামো তৈরি করে তাতে কারেন্ট জাল বসানো হয়েছে। জাল ফেলা অংশটুকু ছাড়া নদে মাছের চলাচলের পথ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও নদীর এক পাড় থেকে অন্য পাড় পর্যন্ত টানানো হয়েছে কারেন্ট জাল। এসব জালে দেশীয় প্রজাতির মাছের পাশাপাশি বিভিন্ন জলজ প্রাণীও আটকা পড়ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব জালে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ ধরা পড়ছে। ফলে মাছের বংশবিস্তার ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দেশীয় প্রজাতির মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, জালের বাঁধের কারণে মালবাহী নৌযানকেও নদে আটকে থাকতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে কটিয়াদী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. কাউসার মিয়া বলেন, “খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
অন্যদিকে মনোহরদী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাফি আফরোজ সনি বলেন, বিভিন্ন স্থানে নতুন করে জালের বাঁধ দেওয়ার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। শিগগিরই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, প্রবহমান নদে জালের বাঁধ দেওয়া আইনত নিষিদ্ধ। অবৈধ জালের বাঁধ পাওয়া গেলে অভিযান চালানো হবে।
নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।