
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে বিআরটিএ তুরাগ, ঢাকা মেট্রো সার্কেল-৩ কার্যালয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে আনসার সদস্যদের তৎপরতায় তিনজনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন যানবাহনের নতুন রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস সনদ এবং মালিকানা পরিবর্তনসংক্রান্ত বেশ কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে দায়িত্ব পালন করেন পিসি মো. অপু সারোয়ার এবং আনসার সদস্য ইদ্রিস আলী ও জুয়েল রানা।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—ধানমন্ডির জিগাতলা এলাকার মো. রাকিব আজিজ (৪০), বাড্ডার মো. কামরুল হাসান (২২) এবং ভোলার মো. শাহিন (৩৩)।
পরে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। শুনানি শেষে রাকিব আজিজ ও কামরুল হাসানকে দুই মাস করে এবং শাহিনকে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তিনজনকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য পুলিশের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
বিআরটিএ কার্যালয়ে সেবাপ্রত্যাশীদের হয়রানি এবং দালালদের অনিয়ম ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনার ফলে বিআরটিএর সেবা কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও শৃঙ্খলিত হবে।
জনসাধারণের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন সেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অনিয়ম প্রতিরোধেও কাজ করছেন।