
র্যাব জানায়, নিহত ১৯ বছর বয়সী ওই নারী আশুলিয়ার একটি চুল কারখানায় কাজ করতেন। প্রায় এক বছর আগে পারিবারিকভাবে বেলাল মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তারা আশুলিয়ায় কারখানার পাশের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। নিহত নারী দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে নিহতের মা ও ভাই বাসায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় বেলাল চুপিসারে ঘরে ঢুকে নিহতের মা ও ভাইয়ের স্মার্টফোন নিয়ে বের হওয়ার সময় দরজা বন্ধ করার শব্দে নিহতের ভাইয়ের ঘুম ভেঙে যায়। তিনি বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে বেলালকে চিনতে পেরে ডাকাডাকি করলে সে কৌশলে পালিয়ে যায়।
পরে নিহতের মা ও ভাই তার কক্ষের দরজা বাইরে থেকে আটকানো দেখতে পান। দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে মেঝেতে ওই নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তার গলায় আঘাতের চিহ্ন এবং দুই হাতের কব্জির রগ কাটা ছিল।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। ঘটনার পর র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বেলালের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
গ্রেপ্তার বেলালের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।