
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে স্মরণ করে ভবিষ্যতে যে কোনো সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে আয়োজন করবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এ কথা জানিয়েছেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
রোববার সকালে ডিএনসিসির হলরুমে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার ভার্চুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
প্রশাসক বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম শুধু একজন কবি ছিলেন না; তিনি ছিলেন বাঙালির জাতীয় চেতনার বাতিঘর। শোষণ, অন্যায় ও ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তার কলম তরবারির মতো গর্জে উঠেছিল। তার বিদ্রোহী কবিতা বাঙালি জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার সাহস জুগিয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নজরুলের গান ও কবিতা মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণার অন্যতম উৎস হিসেবে কাজ করেছে। তাই জাতীয় কবির সাহিত্য ও দর্শন নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে ২৫ মে ২০২৬ থেকে ২৫ মে ২০২৭ পর্যন্ত এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বছরব্যাপী আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর। উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুলকার নায়েনসহ ডিএনসিসির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা। এ ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।