বগুড়া কারাগারে কৌশলে মাদক ঢোকে, রাতে গাঁজার গন্ধ পাওয়া যায়: প্রশাসক

বগুড়া সংবাদদাতা

সারাদেশ

বগুড়ার কারাগারে কৌশলে মাদক প্রবেশ করে বলে মন্তব্য করেছেন বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন। তিনি বলেন, মাদকাসক্ত

2026-08-04T18:31:39+00:00
2026-08-04T18:31:39+00:00
  বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬,
২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
 
বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬
সারাদেশ
বগুড়া কারাগারে কৌশলে মাদক ঢোকে, রাতে গাঁজার গন্ধ পাওয়া যায়: প্রশাসক
বগুড়া সংবাদদাতা
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৩১ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
বগুড়ার কারাগারে কৌশলে মাদক প্রবেশ করে বলে মন্তব্য করেছেন বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন। তিনি বলেন, মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে পুনর্বাসন কেন্দ্রে না পাঠিয়ে কারাগারে পাঠালেও সেখানে মাদকের উপস্থিতি রয়েছে। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি চারবার কারাগারে ছিলেন এবং সে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এ মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বগুড়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় আয়োজিত ‘মাদকাসক্ত ব্যক্তির পুনর্বাসনে নিরাময় কেন্দ্রের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারে সরকার ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এম আর ইসলাম স্বাধীন বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ শাসনামলে আমি চারবার জেলে গেছি। কারাগারের ভেতরের সব জায়গাই আমার পরিচিত। সেখানে রাতের বেলায় গাঁজার গন্ধ পাওয়া যায়। কৌশলে বিভিন্ন মাধ্যমে হয়তো কারাগারের ভেতরে মাদক ঢুকে।

তিনি আরও বলেন, জেলার প্রতিটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র তিনি পরিদর্শন করবেন। এসব প্রতিষ্ঠানে মাদক বিক্রি ও নির্যাতনের অভিযোগও তিনি শুনেছেন বলে উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য, একসময় মাদক শহরকেন্দ্রিক ছিল, এখন তা গ্রামাঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে। কেউ কষ্টের অজুহাতে, আবার কেউ আনন্দের কথা বলে মাদক সেবনের যুক্তি দেয়। তবে একজন ব্যক্তি নিজে থেকে মাদক ছাড়তে আগ্রহী না হলে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন।

মাদক থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাকে জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদক ছাড়লে যেন তারা কাজ পায়, সে ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে বলেন, বাংলা স্কুল (সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ)-এর কয়েকটি কক্ষ ব্যবহার করে কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। মাদকমুক্ত ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থানের উদ্যোগে সিটি কর্পোরেশন সহযোগিতা করবে। কেউ ড্রাইভিং শিখতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণেও সহায়তা করা হবে এবং যোগ্য ব্যক্তিদের সিটি কর্পোরেশনের যানবাহনে কাজের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

সেমিনারে মুখ্য আলোচক ছিলেন বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আতিকুর রহমান বাদল। স্বাগত বক্তব্য দেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বগুড়ার উপপরিচালক মোহা. জিল্লুর রহমান। এ সময় পরিদর্শক মো. সামসুল আলমসহ জেলার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বেসরকারি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রগুলোর পরিচালক ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে বক্তারা মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রগুলোর মানোন্নয়ন, ক্যাটাগরিভিত্তিক মূল্যায়ন ও পুরস্কার প্রদান এবং মাদকমুক্ত ব্যক্তিদের দক্ষ ও কর্মক্ষম করে তুলতে কারিগরি প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: