বগুড়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার দুই সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। চুরি-ছিনতাই মামলায় আরো ৫ জন গ্রেপ্তার ও লুণ্ঠিত গরু উদ্ধার করা হয়েছে। সড়কপথে মাদকের চালান ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে নিয়মিত চেকপোস্ট বসানো হচ্ছে।
বুধবার (২২ জুলাই) গণমাধ্যমে প্রেরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার ফিরোজ আহমেদ এটিসি। এর আগে, লুণ্ঠিত গরু উদ্ধারে মঙ্গলবার দিন ও রাতে পৃথক অভিযান চালানো হয়। শহরের ঠনঠনিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে একজন এবং নাটোরের সিংড়া উপজেলার তাজপুর মহল্লা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। চুরির কাজে ব্যবহৃত ট্রাকসহ উদ্ধার হয় ৫টি চোরাই গরু।
গ্রেপ্তাররা- আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার কোমল দোগাছি এলাকার রাব্বানী সাখিদার (৩৯), সিংড়া উপজেলার তাজপুর মহল্লার সুজিত হালদার (৪০), বাড়াইহাটি গ্রামের সুচন্দন হালদার (২৩)। তাদেরকে নওগাঁর রাণীনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। গত ১০ জুলাই রাতে রাণীনগর গোনাদীঘি পশ্চিমপাড়া গোয়ালঘরের দরজার তালা ভেঙে গরু চুরির ঘটনা ঘটে। দুদিন পর ১২ জুলাই থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী খোকন সরদার।
পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ৮ জুলাই শেরপুর উপজেলার খানপুর খাগা মহল্লার থেকে ব্যাটারিচালিত মিশুক চুরি হয়। গাবতলীর উঞ্চুরখী স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেপ্তার করে। মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি আফিল উদ্দিন পিন্টু (৪০) গাবতলীর ধনঞ্জয় গ্রামের মৃত বিরাজ উদ্দিনের ছেলে।
এদিকে, মাদক মামলায় দণ্ডিত দুই পলাতক আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সদর উপজেলার বারোপুর ব্রিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হয় একবছর সশ্রম সাজাপ্রাপ্ত আবু নাছের বাবু রাশেদ (৩৮)। স্থানীয় দশটিকা ডাক্তার পাড়ায় পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার হয় সুমন পাইকার (৩৮)। তার বিরুদ্ধে মাদক মামলায় দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডাদেশ রয়েছে। গ্রেপ্তার দুজন সদর উপজেলার দশটিকা ডাক্তার পাড়ার বাসিন্দা।
র্যাব সদস্যরা শেরপুর উপজেলার করিমপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাই মামলার পলাতক প্রধান আসামি গ্রেপ্তার করেছে। গত ১৪ জুন রাতে হাসড়াগাড়ি সূর্য বাঁশতলা সড়কে ছিনতাই ঘটনা ঘটে। চেতনানাশক স্প্রে দিয়ে বিকাশ এজেন্টকে অচেতন করে ৫ লাখ টাকা লুটে নেয়। মামলার এজাহার নামীয় আসামি মো. সাব্বির (২৫)। গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে আত্মগোপনে ছিল। সে শেরপুর উপজেলার পাঁচদেওলী গোরাইলপার এলাকার বাসিন্দা।