কচুমুখিকে ঘিরে শার্শায় বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত

শার্শা (যশোর) সংবাদদাতা

সারাদেশ

যশোরের শার্শা উপজেলার নিজামপুর বাসাবাড়ি বাজারে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে উঠেছে কচুমুখির একটি বড় পাইকারি হাট। মৌসুমজুড়ে প্রতিদিন বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত

2026-07-22T18:32:50+00:00
2026-07-22T18:32:50+00:00
  বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬,
৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
 
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
কচুমুখিকে ঘিরে শার্শায় বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত
শার্শা (যশোর) সংবাদদাতা
বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩২ পিএম 
ছবি ভোরের ডাক
যশোরের শার্শা উপজেলার নিজামপুর বাসাবাড়ি বাজারে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে উঠেছে কচুমুখির একটি বড় পাইকারি হাট। মৌসুমজুড়ে প্রতিদিন বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কৃষক ও পাইকারদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে হাটটি। প্রতিদিন এখানে কয়েক লাখ টাকার কচুমুখি কেনাবেচা হচ্ছে, যা স্থানীয় কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।

প্রতিদিন দুপুরের পর থেকেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা এবং পার্শ্ববর্তী ঝিকরগাছা উপজেলা থেকে বস্তাভর্তি কচুমুখি নিয়ে হাটে আসতে শুরু করেন কৃষকেরা। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা পাইকাররা সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে কচুমুখি কিনে ট্রাকে করে বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠান। এতে মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য কমে যাওয়ায় কৃষকরা তুলনামূলক ভালো দাম পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

হাট ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে রাখা রয়েছে কচুমুখি ভর্তি শত শত বস্তা। কোথাও চলছে দরদাম, কোথাও বস্তা খুলে পণ্যের মান যাচাই করছেন ক্রেতারা। আবার কেউ বিক্রি শেষ করে নতুন ক্রেতার অপেক্ষায় বসে আছেন। পুরো বাজারজুড়েই ছিল কেনাবেচার ব্যস্ততা।

স্থানীয় কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, আগে কচুমুখি বিক্রির জন্য বিভিন্ন বাজারে ঘুরতে হতো। এখন বাসাবাড়ি হাটেই পাইকাররা এসে কিনে নিয়ে যান। এতে সময় ও পরিবহন খরচ দুটোই কমেছে।

ঝিকরগাছা উপজেলার নির্বাসখোলা গ্রামের কৃষক শওকত আলী জানান, এই হাটে কচুমুখি নিয়ে এলে বিক্রি না হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। ক্রেতা বেশি থাকায় দামও ভালো পাওয়া যায়।

কুষ্টিয়া থেকে কচুমুখি কিনতে আসা ব্যবসায়ী শাহাজান করিব বলেন, শার্শার কচুমুখির মান ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতিদিন এখান থেকে ঢাকা, কুষ্টিয়া, নাটোর, রাজশাহী, রংপুর ও সিলেটসহ বিভিন্ন জেলায় কচুমুখি পাঠানো হচ্ছে। মৌসুমের শুরুতে প্রতি কেজি কচুমুখি ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে শেষ সময়ে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার সাহা জানান, চলতি মৌসুমে শার্শা উপজেলায় প্রায় ১৮০ হেক্টর জমিতে কচুমুখির আবাদ হয়েছে। উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বাজারজাতকরণের সুযোগও বেড়েছে। অল্প খরচে লাভজনক হওয়ায় নতুন অনেক কৃষক কচুমুখি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। বাজারের চাহিদা অব্যাহত থাকলে আগামী বছরগুলোতে এ ফসলের আবাদ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: