শিক্ষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশাজীবীর বিরুদ্ধে হয়রানি, গ্রেপ্তার, চাকরিচ্যুতি এবং মব সহিংসতার অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ (পিএইচআরসি)।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান সংগঠনের আহ্বায়ক ডা. মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, কো-আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এম. অহিদুজ্জামান ও সদস্য সচিব কৃষিবিদ এম. এম. মিজানুর রহমান। বিবৃতিতে সই করেন যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ জামাল।
বিবৃতিতে সংগঠনটি দাবি করে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন পেশাজীবী গ্রেপ্তার, মামলা, চাকরিচ্যুতি, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং মব সহিংসতার শিকার হয়েছেন। এতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং পেশাজীবীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ।
সংগঠনটির দাবি, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সাংবাদিক, প্রকৌশলী, কৃষিবিদ, চিকিৎসক, আইনজীবী, শিল্পী ও সাহিত্যিকদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের প্রশাসনিক ও আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।
বিবৃতিতে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ বাতিল এবং পূর্বে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা ফেরত চাওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করা হয়। একই সঙ্গে হামের টিকা আমদানিতে অনিয়মের অভিযোগ এবং তুরাগ এলাকায় রাজনৈতিক নেতাকর্মী নিখোঁজ ও মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাগুলোরও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করা হয়েছে।
পিএইচআরসি নেতারা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত, মব সহিংসতা বন্ধ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।