ফুটবল বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি ব্রাজিলকে প্রথমার্ধেই চমকে দিয়েছে জাপান। দারুণ এক আক্রমণ থেকে ২৯ মিনিটে সানোর দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় এশিয়ার দলটি। সেই একমাত্র গোলেই ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল ব্রাজিলের দখলে। প্রায় ৭৫ শতাংশ সময় বল নিজেদের কাছে রেখে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তোলে সেলেসাওরা। শুরুতে জাপানের গোলরক্ষক সুজুকি কিছুটা চাপে থাকলেও শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলের সব প্রচেষ্টাই ব্যর্থ করে দেন তিনি এবং তার রক্ষণভাগ।
তৃতীয় মিনিটে গিমারায়েসের শট, এরপর পঞ্চম মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সামনে থেকে বল ক্লিয়ার করে জাপানি ডিফেন্ডাররা নিশ্চিত বিপদ সামাল দেন। ১০ মিনিটে দানিলোর পাস থেকে ভুল বোঝাবুঝিতে সহজ একটি সুযোগ নষ্ট করে ব্রাজিল। পরে কুনহা ও পাকেতার শটও লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি।
অন্যদিকে শুরুতে রক্ষণাত্মক কৌশলে খেললেও ধীরে ধীরে ম্যাচে নিজেদের গুছিয়ে নেয় জাপান। ১৬ মিনিটে কামাদার ফ্রি-কিক থেকে প্রথমবারের মতো ব্রাজিলের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে তারা।
এরপর ২৯ মিনিটে আসে ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। মাঝমাঠে দানিলোর নিয়ন্ত্রণ হারানো বল কুড়িয়ে নিয়ে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যান সানো। কাসেমিরোকে পেছনে ফেলে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার শক্তিশালী ডান পায়ের শট সোজা জড়িয়ে যায় পোস্টের নিচের বাম কোণে। গোলরক্ষকের কোনো সুযোগ না রেখে জাপানকে এগিয়ে দেন তিনি।
গোল হজমের পর সমতায় ফিরতে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ব্রাজিল। পাকেতার ফ্রি-কিক থেকে মারকুইনহোসের হেড অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। এরপর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও কুনহার দূরপাল্লার শটও দক্ষতার সঙ্গে ঠেকিয়ে দেন সুজুকি।
শেষ পর্যন্ত জাপানের সুসংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে পারেনি ব্রাজিল। ফলে ১-০ গোলের মূল্যবান লিড নিয়েই বিরতিতে যায় এশিয়ার প্রতিনিধিরা।