গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। গুরুত্বপূর্ণ এই জয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে আফ্রিকার দলটি। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লড়াকু মানসিকতা ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবলের প্রদর্শনীতে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে দক্ষিণ আফ্রিকা। এই ঐতিহাসিক সাফল্যে উচ্ছ্বসিত দলটি এখন নকআউট পর্বে নতুন স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায়।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এস্তাদিও মন্তেরেতে গ্রুপ 'এ'র ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলে জয় পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে একমাত্র গোলটি করেন থাপেলো মাসেকো।
শেপাং মোরেমির ক্রসে ৬৩তম মিনিটে থাপেলো মাসেকো গোল করেন। ওই এক গোলেই জিতেছে তারা এবং এ গ্রুপে মেক্সিকোর পেছনে থেকে শেষ ৩২ এ দক্ষিণ আফ্রিকা।
ক্যালিফোর্নিয়ার ইঙ্গেলউডে আগামী রোববার নকআউটের ম্যাচ খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা। বি গ্রুপের রানার্সআপ কানাডার মুখোমুখি হবে তারা।
১৯৯৮, ২০০২ ও ২০১০ সালে বিশ্বকাপে খেললেও দক্ষিণ আফ্রিকা গ্রুপ পর্বের বাধা পার করতে পারেনি। এবারের আসরে মেক্সিকোর কাছে ২-০ গোলে হার দিয়ে শুরু। তবে চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে শেষ দিকের গোলে ১-১ ব্যবধানে ড্র করেছিল তারা। মেক্সিকো ও দক্ষিণ কোরিয়ার পেছনে থেকে গ্রুপের শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল দলটি। কিন্তু তায়েগিউক ওয়ারিয়র্সকে চমকে দিলো তারা।
দক্ষিণ কোরিয়া চেকদের বিপক্ষে পেছনে থেকেও ২-১ গোলে জিতে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল এবং মেক্সিকোর কাছে ১-০ গোলে দ্বিতীয় ম্যাচ হেরে যায়।
২০০২ সালের নকআউটে ওঠা প্রথম এশিয়ান দল ছিল দক্ষিণ কোরিয়া। ওইবার চতুর্থ স্থানে থেকে বিশ্বকাপ শেষ করেছিল তারা। এরপর ২০০২ ও ২০১০ সালে গ্রুপের বাধা পেরিয়ে শেষ ষোলোতে থেকে যায় কোরিয়ানরা।