চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে অ্যাপভিত্তিক বাইসাইকেল সেবা ‘জো বাইক’ পরীক্ষামূলকভাবে পুনরায় চালু হয়েছে। প্রতি মিনিটে খরচ ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্যাম্পাসে ১০টি ইলেকট্রিক বাইক (ই-বাইক) চালু করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১১টায় চাকসু ভবনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান এ সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয়বারের মতো জোবাইক সেবা চালু করায় প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মেহেদী রেজাকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এবার শিক্ষার্থীরা আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে এবং সেবাটি নির্বিঘ্নে চলবে।
চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভুঁঞা বলেন, ২০১৯–২০ সালের দিকে প্রথমবার চবিতে জোবাইক চালু হলেও বিভিন্ন কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সেবাটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
JoBike-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মেহেদী রেজা বলেন, ২০২৩ সালে শিক্ষার্থীদের একটি পিটিশনের পর থেকে তারা পুনরায় সেবা চালুর বিষয়ে কাজ করে আসছিলেন। এবার ই-বাইকসহ আধুনিক সুবিধা যুক্ত করে ক্যাম্পাসে সেবা ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আগামী ৪০ দিনের মধ্যে ১০০টি প্যাডেল সাইকেল ও ৫০টি ই-বাইক সংযোজনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসে প্রায় ২০টি নির্ধারিত পার্কিং পয়েন্ট স্থাপন করা হবে, যেখানে শিক্ষার্থীদের সাইকেল রাখতে হবে। একটি আধুনিক জো ক্যাফে নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
চাকসু প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, বর্তমানে ১০টি প্যাডেল-অ্যাসিস্ট জো বাইক পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে। শিক্ষার্থীরা অ্যাপের মাধ্যমে কিউআর কোড স্ক্যান করে বাইক চালু ও বন্ধ করতে পারবে। প্রথম ধাপে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি মিনিটে ১.৫ টাকা।
পরবর্তী ৪০ দিনের কার্যক্রম শেষে প্রায় ১০০টি প্যাডেল বাইক চালু করা হবে এবং তখন ভাড়া কমিয়ে প্রতি মিনিটে ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।