ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে দীর্ঘ এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে স্বজনের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটিয়ে ফেরার পথে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন কর্মমুখী মানুষ।
শুক্রবার (৫ জুন) রাত থেকে যমুনা সেতুর পূর্ব টোল প্লাজা থেকে এলেঙ্গার কাছাকাছি পৌলি পর্যন্ত মহাসড়কের অন্তত ১৫ কিলোমিটার এলাকায় এ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ওসি মো. শরিফ বলেন, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, যমুনা সেতুর উপর ও সেতুর সংযোগ সড়কে রাতে একাধিক গাড়ি বিকল হওয়ায় কারণে যানজট সৃষ্টি হয়েছিল।
তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসছে বলে জানান তিনি।
এদিকে জটে আটকে থাকা সিরাজগঞ্জ থেকে আসা মাছ ব্যবসায়ী হামিদ মিয়া বলেন, ভোর সকাল থেকে টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছি যমুনা সেতু পার হয়ে আটকে আছি। মাছ নিয়ে টাঙ্গাইলে বিক্রি করবো। এখনো যেতে পারছি না।
গাজীপুর থেকে আসা বাস চালক আনোয়ার হোসেন বলেন, টাঙ্গাইল থেকে যানজট। মহাসড়কের এলেঙ্গাতে এসে আটকে আছি। গরমে চরম ভোগান্তি হচ্ছে।
আগের দিন শুক্রবার সকাল থেকেই যমুনা সেতুর পশ্চিমপাড়ে সিরাজগঞ্জ অংশে যানজট ও দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে মানুষকে। যানবাহনের চাপের মধ্যে যমুনা সেতুতে ২৩ ঘণ্টায় ছোট-বড় ২৪টি দুর্ঘটনা ঘটেছে।
এরমধ্যে ছয়টি দুর্ঘটনার পর উদ্ধার কাজে রেকার ব্যবহার করতে হয়েছে। কখনো সেতুর দুই লেন, কখনো এক লেন বন্ধ রাখতে হয়েছে। ফলে তারা প্রভাব পড়েছে সেতুর দুই পাড়েই।