যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেছেন, সুস্থ দেহ ও সুস্থ মন গঠনে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। পটিয়ায় নির্মিতব্য মিনি স্টেডিয়াম থেকে ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শুক্রবার (৫ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের চক্রশালা এলাকার জলুয়ার দীঘিরপাড়ে বহুল প্রতীক্ষিত ‘পটিয়া মিনি স্টেডিয়াম’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক এনাম, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক, পটিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম সওদাগর, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, পৌরসভা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী আবু তাহের এবং পটিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মইনুল আলম ছোটন।
এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ক্রীড়া সংগঠক, সামাজিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েক শতাধিক মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
আলোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। পটিয়া মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্প বাস্তবায়নে যাঁরা নিরলস পরিশ্রম করেছেন, তাঁদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও বিপথগামিতা থেকে দূরে রেখে সুস্থ ও শৃঙ্খল জীবন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই স্টেডিয়াম পটিয়ার তরুণদের জন্য আধুনিক ক্রীড়া চর্চার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এই স্টেডিয়াম শুধু পটিয়ার নয়, সমগ্র দক্ষিণ চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে। এখানে নিয়মিত অনুশীলনের সুযোগ পেয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি হবে, যারা দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই মিনি স্টেডিয়াম বাস্তবায়িত হলে পটিয়া ও আশপাশের এলাকার তরুণ-যুবকদের জন্য আধুনিক ক্রীড়া সুবিধা নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে দক্ষিণ চট্টগ্রামে ক্রীড়ার বিকাশ এবং নতুন প্রতিভা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
স্থানীয়দের মতে, স্টেডিয়ামটি নির্মিত হলে এ অঞ্চলের ক্রীড়াপ্রেমী তরুণদের জন্য একটি আধুনিক ও মানসম্মত অনুশীলন কেন্দ্র গড়ে উঠবে, যা ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় তৈরিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।