
এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিয়ে এলাকায় তৈরি হয়েছে রহস্য। পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মহত্যার দাবি করা হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টুলু মিয়ার স্ত্রী জীবিকার তাগিদে প্রবাসে থাকেন। তাঁদের দুই মেয়ে জেমি ও জুথি আক্তার বিবাহিত। স্ত্রী ও মেয়েরা অন্যত্র থাকায় নিজ বাড়িতে একাই বসবাস করতেন তিনি। তবে কয়েক দিন ধরে পেটের ব্যথায় ভুগছিলেন টুলু মিয়া। বাবার অসুস্থতার খবর পেয়ে ছোট মেয়ে জুথি আক্তার সম্প্রতি তাঁর বাড়িতে আসেন।
জুথি আক্তারের দাবি, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাঁর বাবা নিজেই ধারালো বটি দিয়ে গলায় আঘাত করেছেন। তবে তাঁর এ বক্তব্যের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহতের এক ভাতিজা জানান, ঘটনার আগের দিন থেকেই তাঁর চাচা পেটের ব্যথায় ভুগছিলেন। চিকিৎসার জন্য তাঁর কাছ থেকে কিছু টাকাও ধার নিয়েছিলেন। কিন্তু পরদিন সকালে চাচার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের খবর পান তিনি।
খবর পেয়ে শাজাহানপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত টুলু মিয়ার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।