পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ অনুমোদন সরকারের সাহসী পদক্ষেপ

মতামত

পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ প্রকল্প তারেক রহমান সরকারের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। একনেকে অনুমোদনের মাধ্যমে বহুদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এক ধাপ অগ্রসর হয়েছে।

2026-10-25T19:04:12+00:00
2026-10-25T19:04:12+00:00
  সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬,
১০ কার্তিক ১৪৩৩
 
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
মতামত
পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ অনুমোদন সরকারের সাহসী পদক্ষেপ
আবুল কাসেম হায়দার
রোববার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৪ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ প্রকল্প তারেক রহমান সরকারের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। একনেকে অনুমোদনের মাধ্যমে বহুদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এক ধাপ অগ্রসর হয়েছে। ১৩ মে ২০২৬ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই যুগান্তকারী, ঐতিহাসিক ও দৃঢ় সিদ্ধান্ত জাতিকে আজ আশ্বস্ত করেছে।

দীর্ঘ সাড়ে ছয় দশক পর এই সিদ্ধান্ত জাতীয় জীবনে গতি আনবে। পদ্মা ব্যারাজ নিয়ে সমীক্ষার পর সমীক্ষা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিনেও প্রকল্পটি আলোর মুখ দেখেনি। নানা বাধা ও সমীক্ষায় বছরের পর বছর কেটেছে। ভারতের বাধার মুখে এই প্রকল্প ছিল অনিশ্চিত। নতুন এই সরকারের প্রথম মেগাপ্রকল্প অর্থনীতিতে গতি আনবে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় উদ্যোগ।

কী সেই পদ্মা ব্যারাজ?

বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকাকে শুষ্ক মৌসুমে মরুকরণের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য রাজবাড়ীর পাংশা এলাকায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের প্রথম ধাপ বাস্তবায়নে একনেকে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। এই মেগাপ্রকল্পের নির্মাণকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ থেকে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত।

কেন পদ্মা ব্যারাজ?

একনেক বৈঠকে পদ্মা ব্যারাজ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়। প্রকল্পের উপকারিতা ও কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনার পর এটি অনুমোদিত হয়। মূলত ফারাক্কা বাঁধের কারণে শুষ্ক মৌসুমে পানির যে সংকট তৈরি হয়, তা থেকে কিছুটা রক্ষা পাওয়ার জন্য পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত এপ্রিল মাসে একনেকে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পেশ করা হয়েছিল। পরে অবশ্য তা প্রত্যাহার করা হয়।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব পরিকল্পনা। পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির একান্ত তত্ত্বাবধানে এই প্রকল্প অনুমোদিত হলে দেশের ২৪টি জেলার পানির সুরক্ষায় এই বিশাল প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সময়ের প্রয়োজনে প্রকল্পটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয়।

দেশের মানুষের কল্যাণে সরকারের প্রথম তিন মাসের মধ্যে এই মেগাপ্রকল্প গ্রহণের জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন। চলতি বছর থেকে ২০৩৩ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো)। প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৫০ হাজার ৪৪৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। তবে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের প্রস্তাব করেছে। প্রথম ধাপে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রকল্পটির পুরো ব্যয় সরকারি তহবিল থেকে বহন করা হবে।

প্রকল্প থেকে মিলবে সুফল

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পদ্মা নদীতে ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন বা ২৯০ কোটি ঘনমিটার পানি সংরক্ষিত হবে। এই সংরক্ষিত পানি দিয়ে দেশের কয়েকটি নদী নতুন করে পুনরুজ্জীবিত করা হবে। নদীগুলো হচ্ছে—হিসনা, মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতি, চন্দনা-বারাশিয়া, বড়াল ও ইছামতি। শুষ্ক মৌসুমেও এসব নদীতে প্রায় ৮০০ কিউসেক পানি সরবরাহ করা হবে। এর ফলে পানি ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।

পদ্মা ব্যারাজের মাধ্যমে সংরক্ষিত পানি দিয়ে হিসনা, মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতি, চন্দনা-বারাশিয়া, বড়াল ও ইছামতি নদী পুনরুজ্জীবিত করা যাবে।

এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পাবনা ও রাজশাহী অঞ্চলের প্রায় ১৯ লাখ হেক্টর জমিতে চাষাবাদের জন্য পানি সরবরাহ নিশ্চিত হবে। প্রকল্পে আরও বলা হয়েছে, এর ফলে ২৪ লাখ টন ধান ও ২ দশমিক ৩৪ লাখ টন মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বছরে ৮ হাজার কোটি টাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে দেশবাসী।

দেশের পানি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, ভবিষ্যতে পানির সংকট আরও বাড়বে। সুন্দরবন এলাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাবে এবং সুপেয় পানির অভাব দেখা দেবে। এসব কারণে পদ্মা ব্যারাজ অত্যন্ত জরুরি।

কী কী থাকবে পদ্মা ব্যারাজে?

পদ্মা ব্যারাজের প্রথম ধাপে রাজবাড়ীর পাংশায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্যারাজ নির্মাণ করা হবে। এতে থাকবে ৭৮টি স্পিলওয়ে, ১৮টি আন্ডার স্লুইস গেট, মাছ চলাচলের জন্য দুটি ফিশ পাস, একটি নেভিগেশন লক এবং গাইড ও সংযোগ বাঁধ।

কেন এই প্রকল্পের উদ্যোগ?

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সত্তরের দশকে ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়। এর ফলে বাংলাদেশে পদ্মার পানিপ্রবাহ ভয়াবহভাবে কমে যায়। পদ্মার সঙ্গে সংযুক্ত ছয়টি নদীর পানি শুকিয়ে যায়। ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, মৎস্য ও নৌ-চলাচল মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। অন্যদিকে জীববৈচিত্র্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এ ছাড়া বৃহত্তর রাজশাহী, পাবনা, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, ফরিদপুর ও বরিশাল জেলার মানুষের সুপেয় পানির অন্যতম প্রধান উৎস পদ্মার পানি। এ জন্য বর্ষার পানি ধরে রেখে শুষ্ক মৌসুমে নিয়ন্ত্রিতভাবে পানি সরবরাহ করতে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ জরুরি।

এই প্রকল্প গঙ্গানির্ভর এলাকায় পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি গঙ্গা নদীব্যবস্থা থেকে পানিপ্রবাহ পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে পলি জমার পরিমাণ কমানো এবং শুষ্ক মৌসুমে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

স্বপ্নের শুরু ১৯৬০ সালে

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প নিয়ে আজই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়নি। ১৯৬০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণে চারটি সমীক্ষা পরিচালিত হয়। প্রায় ২৫ বছর আগে বিএনপি সরকার পদ্মা ব্যারাজ নিয়ে কাজ শুরু করে। পরে ২০০৫ সালে পদ্মা ব্যারাজের সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু হয়। দেশি-বিদেশি একটি দল এই প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সমীক্ষা ২০১৩ সালে শেষ করে।

১৯৯৭ সালে পদ্মা ব্যারাজের স্থান নির্ধারণের সঙ্গে জড়িত ছিলেন পানি বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত। তখন বাঁধটি তৈরির প্রতিশ্রুতি ভারত সরকার দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে নানা রাজনৈতিক মেরুকরণের কারণে ভারত সরকার প্রকল্পের কাজে এগিয়ে আসেনি। লেখকের মতে, ভারত বাংলাদেশের উন্নয়ন চায় না এবং বিভিন্ন ভালো উদ্যোগে সহযোগিতা না করে নানা ধরনের বাধা সৃষ্টি করে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়েও একই ধরনের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে লেখায় উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তিও এখনো হয়নি।

বিগত বিএনপি সরকারের আমলে ২০০২ সালে পদ্মা ও তিস্তা প্রকল্প নিয়ে বেশ আলোচনা হয়। কিন্তু নানা জটিলতায় তা আলোর মুখ দেখেনি। পরে ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানের বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়। এরপর ২০১৬ সাল পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পটির নকশা প্রণয়নের কাজ করে।

প্রথম ধাপে কী কাজ হবে?

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, পদ্মা ব্যারাজ ও গড়াই অফটেক এলাকায় জলবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এই কেন্দ্র থেকে ১১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রথম ধাপে ১৩৫ দশমিক ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ গড়াই-মধুমতি নদী এবং ২৪৬ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার দীর্ঘ হিসনা নদীব্যবস্থায় ড্রেজিং ও মুখ খননের কাজ করা হবে। অন্যান্য কাজের মধ্যে রয়েছে অফটেক, ফিশ পাস, নেভিগেশন লক এবং ৩৬ দশমিক ৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার জলবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ। পাশাপাশি চন্দনা অফটেকে চারটি স্পিলওয়ে, হিসনা অফটেকে পাঁচটি স্পিলওয়ে এবং ১৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ অ্যাফ্লাক্স বাঁধ নির্মাণ করা হবে। হিসনা অফটেককে হিসনা-মাথাভাঙ্গা নদীব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

কী কী উপকার হবে?

এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কৃষি ও মৎস্য খাতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রতি বছর ধান উৎপাদন প্রায় ২৩ লাখ ৯০ হাজার টন এবং মৎস্য উৎপাদন প্রায় ২ লাখ ৩৪ হাজার টন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও এই প্রকল্প বড় ভূমিকা রাখবে।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের আওতাধীন এলাকা বাংলাদেশের মোট আয়তনের ৩৭ শতাংশ, যা দেশের ২৬টি জেলার ১৬৩টি উপজেলায় বিস্তৃত। তবে প্রথম ধাপ বাস্তবায়িত হলে খুলনা, ঢাকা, রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগের অন্তত ১৯টি জেলার ১২০টি উপজেলার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে। জেলাগুলো হচ্ছে—কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, যশোর, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, পাবনা, রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও পিরোজপুর।

দ্বিতীয় ধাপে অতিরিক্ত সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ এবং চন্দনা-বারাশিয়া, বড়াল ও ইছামতি নদীব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের কাজ করা হবে।

ভারতের কী বলার আছে?

ভারত আমাদের প্রতিবেশী ও বন্ধু দেশ। বাংলাদেশের উন্নয়নে ভারত খুশি হবে—খুশি হওয়াই উচিত। পানি সম্পদমন্ত্রী সরাসরি বলেছেন, পদ্মা ব্যারাজ নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনার কিছু নেই। লেখকের মতে, এটি বাংলাদেশের নিজস্ব পরিকল্পনা ও উদ্যোগ। দেশের কল্যাণে সরকার এই সাহসী উদ্যোগ নিয়েছে, যা দেশবাসীকে আনন্দিত করেছে।

ধন্যবাদ তারেক রহমান সরকারকে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যারাজের পাশাপাশি ২০ মে ২০২৬ তারিখে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণাও দিয়েছেন। এটি একটি প্রশংসনীয় ও সাহসী ঘোষণা।

পদ্মা ব্যারাজে অর্থায়ন

সরকার প্রাথমিকভাবে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে। এটি একটি ভালো ও সাহসী উদ্যোগ। তবে সম্পূর্ণভাবে নিজস্ব অর্থায়নের ওপর নির্ভর না করে প্রকল্পের একটি অংশের জন্য বিশ্বব্যাংক, আইএমএফসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত। এতে দেশের অর্থনীতির ওপর চাপ কম পড়বে। বিদেশি অর্থায়ন থাকলে তদারকি জোরদার করা, উন্নত প্রযুক্তি ও দক্ষ জনবল কাজে লাগানো এবং মানসম্পন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এতে দেশ উপকৃত হবে।

লেখক : আহ্বায়ক, মুক্তচিন্তা বাংলাদেশ


Loading...
Loading...

মতামত- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: