সিরাজগঞ্জে আখের বাম্পার ফলন, শুরু হয়েছে গুড় তৈরি

সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা

সারাদেশ

সিরাজগঞ্জে চলতি মৌসুমে আখের ভালো ফলন হয়েছে। শীতের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন এলাকায় আখ মাড়াই করে গুড় তৈরিতে ব্যস্ত

2026-10-16T16:50:35+00:00
2026-10-16T16:50:35+00:00
  বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬,
২১ কার্তিক ১৪৩৩
 
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
সারাদেশ
সিরাজগঞ্জে আখের বাম্পার ফলন, শুরু হয়েছে গুড় তৈরি
বাজারে নতুন গুড়, কেজি ২০০–২৫০ টাকা; লাভের আশায় কৃষক
সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫০ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
সিরাজগঞ্জে চলতি মৌসুমে আখের ভালো ফলন হয়েছে। শীতের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন এলাকায় আখ মাড়াই করে গুড় তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন চাষিরা। বাজারে উঠতে শুরু করেছে নতুন গুড়। ভালো দাম পাওয়ায় এ মৌসুমে লাভের আশা করছেন আখচাষিরা।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে সিরাজগঞ্জের নয়টি উপজেলায় প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে আখ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। জেলায় আইএসডি ৪১, ৪২ ও ৪৩, ইরি ও বোনসহ বিভিন্ন জাতের আখ চাষ হয়েছে। চরাঞ্চলের পাশাপাশি বেলকুচি, কাজিপুর, রায়গঞ্জ, কামারখন্দ ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় আখের আবাদ বেশি।

চাষিরা সাধারণত উঁচু ও দোআঁশ জমিতে আখের তিন চোখবিশিষ্ট ডাঁট বা টুকরা রোপণ করে থাকেন। এ ছাড়া পুরোনো আখের গোড়া বা মোতা থেকেও নতুন আখ উৎপাদন করছেন অনেকে। এতে উৎপাদন খরচ কমছে, বাড়ছে লাভের সম্ভাবনা।

স্থানীয় বাজারে বর্তমানে তিন পোয়া ওজনের প্রতি ডিমা গুড় বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। আর প্রতি কেজি খাঁটি গুড়ের দাম ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। এ ছাড়া অনেক চাষি প্রতি বিঘা জমির আখ ক্ষেতসহ ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করছেন।

শুধু গুড় নয়, কাঁচা আখ ও আখের রসেরও চাহিদা রয়েছে। শহর ও বন্দরের বিভিন্ন স্থানে ভ্যানে করে কাঁচা আখ এবং মেশিনে মাড়াই করা রস বিক্রি হচ্ছে। প্রতি গ্লাস আখের রসের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা। উৎপাদন খরচের তুলনায় লাভের সম্ভাবনা বেশি হওয়ায় এ অঞ্চলে আখ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।

যমুনা নদীর তীরবর্তী পারপাঁচিল গ্রামের আখচাষি আব্দুর রাজ্জাক ও আনোয়ার হোসেন জানান, এবার তাঁরা সাত বিঘা জমিতে আখ চাষ করেছেন। এর বেশির ভাগই পুরোনো আখের মোতা থেকে উৎপাদিত। ইতিমধ্যে তাঁরা আখ মাড়াই করে গুড় তৈরি শুরু করেছেন। বাজারে ভালো দাম থাকায় এ মৌসুমে ভালো লাভের প্রত্যাশা করছেন।

তবে গুড় উৎপাদনে ভেজাল মেশানোর অভিযোগও রয়েছে। কিছু অসাধু ব্যক্তি আটা, চিনি ও সোডা মিশিয়ে গুড় তৈরি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে খাঁটি গুড়ের মান ও ভোক্তাদের স্বার্থ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অতিরিক্ত উপপরিচালক জেরিন আহমেদ বলেন, এবার জেলায় আখের ফলন ভালো হয়েছে। আখ চাষ সম্প্রসারণে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে গুড় তৈরির প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পুরো শীত মৌসুমজুড়ে জেলাজুড়ে আখ মাড়াই ও গুড় উৎপাদন চলবে।


Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: