
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় গরু চুরি, ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও প্রবেশপথে এসব বাঁশকল স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে রাতে যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তল্লাশি চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, সিরাজগঞ্জে স্থাপিত ২৫০টি বাঁশকলের মধ্যে বেলকুচি উপজেলায় রয়েছে ১৪টি। এসব স্থানে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। রাতের দায়িত্ব পালনে সতর্ক থাকা, পারস্পরিক সমন্বয় বজায় রাখা এবং সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড নজরে এলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি। পাশাপাশি দায়িত্ব পালনের সময় সদস্যদের নিরাপত্তা ও কার্যক্রমের গতি বাড়াতে তাঁদের হাতে টর্চলাইট ও বাঁশি তুলে দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সার্কেল এএসপি হুমায়ুন কবির, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামানসহ থানার অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তা এবং বাঁশকলের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরা।
পুলিশের এ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো রাতে অপরাধীদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ, চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে গবাদিপশু চুরি ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে নিরাপত্তা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, বাঁশকলের কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনা, পুলিশের নিয়মিত তদারকি এবং স্থানীয় জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে অপরাধ প্রতিরোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।