
এসআরবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১২ অক্টোবর রাতে এসআরবি-৪ ও এসআরবি-১৪-এর যৌথ আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে। পরে উদ্ধার করা শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে এসআরবি-৪। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার নারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শিশুটির পরিবার আশুলিয়া থানার পলাশবাড়ী বটতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে। শিশুটির মা একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। কর্মস্থলে যাওয়ার সময় দুই বছরের মেয়েকে দেখাশোনার জন্য গত ১ সেপ্টেম্বর বেলী বেগমকে গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেন তিনি।
গত ৮ সেপ্টেম্বর দুপুর পৌনে ১টার দিকে শিশুটিকে বেলী বেগমের কাছে রেখে তার মা-বাবা কর্মস্থলে যান। রাতে বাসায় ফিরে তাঁরা শিশু ও গৃহকর্মী কাউকেই খুঁজে পাননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁদের সন্ধান না পেয়ে শিশুটির মা আশুলিয়া থানায় মামলা করেন।
এসআরবি জানায়, ঘটনার পরপরই এসআরবি-৪ শিশুটিকে উদ্ধার ও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে ছায়াতদন্ত শুরু করে। এ সময় ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা এবং গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত নারীর অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করা হয়।
তদন্তের একপর্যায়ে অভিযুক্ত নারীর বিবাহবিচ্ছেদের নোটিশের সূত্র ধরে টাঙ্গাইলের একটি ঠিকানা পাওয়া যায়। তবে সেখানে গিয়ে তাঁর অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরে গোয়েন্দা তথ্য ও স্থানীয়দের সহায়তায় ঘাটাইলের খালপাকুটিয়া দেওলাবাড়ি এলাকায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
সেখানে অভিযান চালিয়ে বেলী বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয় বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।