
বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে গতকাল শনিবার শহরের এসপি ব্রিজ এলাকার ডিসি পার্কসংলগ্ন নদীর তীরে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে বাপার বগুড়া জেলা শাখা। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি প্রকৌশলী শাহাবুদ্দীন সৈকত। নদীর গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে করতোয়া নদীর তীর ঘেঁষে নির্মিত ওয়াকওয়েটি তুলনামূলক প্রশস্ত হলেও কারাগার এলাকায় এসে তা সংকীর্ণ হয়ে গেছে। এ কারণে নদীর তীরের সৌন্দর্য উপভোগ ও স্বাভাবিক চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। ওয়াকওয়েটি প্রশস্ত করতে কারাগারের সীমানাপ্রাচীরের প্রয়োজনীয় অংশ ভেঙে দেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।
বাপা বগুড়ার জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফজলে রাব্বী ডলার বলেন, দখল ও দূষণের কারণে দেশের অনেক নদ-নদী সংকটে রয়েছে। শিল্পবর্জ্য, প্লাস্টিক, পয়োবর্জ্যসহ বিভিন্ন ধরনের দূষণে নদীর পানি দূষিত হচ্ছে। কোথাও কোথাও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ।
তিনি বলেন, প্রকৃতি, কৃষি, অর্থনীতি ও মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে নদীর গভীর সম্পর্ক রয়েছে। নদীকে ঘিরে গড়ে উঠেছে অসংখ্য জনপদ, মানুষের জীবিকা ও সংস্কৃতি। তাই নদী দখল প্রতিরোধ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বাপার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আনোয়ারুল করিম দুলাল, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মোজাম্মেল হক, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, রফিকুল ইসলাম, মোতাছিম বিল্লাহ শিমুল, অ্যাডভোকেট আজাদ তালুকদার ও মো. ফজলুল হক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, ফজলুল হক বাবলু, জাকিয়া সুলতানা, আস্তারী রহমান, আহসান হাবিব তালুকদার রঞ্জু, জাহেদুর রহমান, শাহ সাব্বির রহমান, লায়ন আতিকুর রহমান মিঠু, আহমেদ কবির মিন্টু, শাহান বারী, তাজুল ইসলাম, মিজানুর রহমান মিজান ও অধ্যাপক মোজাফফর রহমানসহ অন্যরা।