দেশে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে: খাদ্যমন্ত্রী

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সারাদেশ

দেশে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেছেন, আসন্ন রমজানে খাদ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে

2026-10-10T17:15:25+00:00
2026-10-10T17:15:25+00:00
  শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬,
২৫ আশ্বিন ১৪৩৩
 
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
সারাদেশ
দেশে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে: খাদ্যমন্ত্রী
চট্টগ্রাম ব্যুরো
শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৫ পিএম 
ছবিঃ ভোরের ডাক

দেশে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেছেন, আসন্ন রমজানে খাদ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আগাম প্রস্তুতি, দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) চট্টগ্রাম জেটি ও সাইলো পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তিনি দেওয়ানহাট সিএসডির গুদাম পরিদর্শন করেন এবং হালিশহর সিএসডির সম্মেলনকক্ষ উদ্বোধন করেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যপণ্যের সম্ভাব্য চাহিদা নিরূপণ, আমদানি ও অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং সরবরাহব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা দ্রুত নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের সংকটসহ বিভিন্ন কারণে মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হতে পারে। তাই বাড়তি চাহিদা, পরিবহন ব্যয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা বিবেচনায় নিয়ে আগাম প্রস্তুতি রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত থাকায় আসন্ন রমজানে সরবরাহে সংকট হবে না বলে তিনি আশাবাদী। তবে আমদানি কার্যক্রমের বিদ্যমান জটিলতা নিরসন এবং নির্ধারিত সময়ে খাদ্য দেশে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর পাশাপাশি খাদ্য বিভাগের জনবলসংকট ও প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা দূর করতে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মজুতের পাশাপাশি সুষ্ঠু সংরক্ষণ, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও সময়মতো সরবরাহের ওপর গুরুত্বারোপ করেন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রমজানে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, অপচয় রোধ এবং সরকারি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চাহিদা, গুদামভিত্তিক মজুত ও সরবরাহ সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। খাদ্য সংগ্রহ থেকে সংরক্ষণ ও বিতরণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে সমন্বয় নিশ্চিত করা গেলে সময়ক্ষেপণ, পরিবহন ব্যয় ও খাদ্য অপচয় কমানো সম্ভব হবে।

চট্টগ্রাম জেটি ও সাইলো পরিদর্শন প্রসঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান অবকাঠামোর কার্যকারিতা, প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং সংরক্ষণব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা সরেজমিনে পর্যালোচনা করা হয়েছে। চিহ্নিত সমস্যাগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গুদামগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, সংরক্ষিত খাদ্যের গুণগত মান পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত স্থাপনাগুলো পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করে তোলার পাশাপাশি গুদামভিত্তিক মজুতের নির্ভুল হিসাব, নিয়মিত পরিদর্শন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

খাদ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে খাদ্য সংরক্ষণের সক্ষমতা বাড়ানো, অপচয় কমানো এবং সরবরাহব্যবস্থার বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব হবে।

পরিদর্শনকালে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: