
শনিবার (১০ অক্টোবর) খুলনায় এসআরবি-৬-এর সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুন্দরবনে দীর্ঘদিন ধরে জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপতৎপরতা জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালসহ বননির্ভর মানুষের জীবন ও জীবিকার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এসব অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান এবং সরকারের পুনর্বাসন উদ্যোগের ফলে অতীতে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর অনেক সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন দস্যুচক্রের তৎপরতা এবং আত্মসমর্পণকারী কিছু সদস্যের পুনরায় অপরাধে জড়ানোর তথ্য পাওয়া যায়।
এ পরিস্থিতিতে সুন্দরবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসআরবি-৬ গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান জোরদার করে। বাহিনীটির দাবি, ধারাবাহিক তৎপরতা, বনের প্রতিকূল পরিবেশ এবং দস্যুতা পেশার অনিশ্চয়তার কারণে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
আলিফ বাহিনীর ১৫ সদস্যের আত্মসমর্পণ সুন্দরবনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে এসআরবি-৬। এতে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালসহ অন্যান্য বনজীবীর নিরাপদে জীবিকা নির্বাহের পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছে বাহিনীটি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সুন্দরবনে জলদস্যুতা, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আত্মসমর্পণকারী ১৫ জনের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলেও জানিয়েছে এসআরবি-৬-এর মিডিয়া সেল।