
কাস্টমসের সহকারী কমিশনারদের (এসি) তত্ত্বাবধানে রাজস্ব কর্মকর্তা (আরও) হাফিজুর রহমান, মমেন্দ্র মিত্র ও বাজির উদ্দিন দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) হিসেবে রয়েছেন তপন, তাপস, মিজানুর রহমান, আরিফুর রহমান, মোরশেদা ও খাইরুল ইসলাম। তাঁদের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন কাস্টমসের সাব-ইন্সপেক্টর ও ১৫ জন সিপাহি।
অন্যদিকে, ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাইফুর রহমান। বন্দর এলাকায় আর্মস ব্যাটালিয়নের ওসি শান্তুনী বিশ্বাসের নেতৃত্বে ৪৪ জন সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বহিরাগতদের অননুমোদিত প্রবেশ ঠেকাতে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এতে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরেছে।
ঢাকার ডেমরা এলাকার যাত্রী সুবহান, আরাফাত ও তাঁর স্ত্রী মেহেরজান এবং খুলনার বয়রা এলাকার যাত্রী বাকিবিল্লাহ, পরিতোষ ও আমির আলী জানান, তাঁরা কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম সারিবদ্ধভাবে সম্পন্ন করেছেন। তাঁদের মতে, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় থাকায় যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
এদিকে, কাস্টমস এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে ভবনের চারপাশে উঁচু নিরাপত্তাবেষ্টনী নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কাস্টমসের সহকারী কমিশনার আজহার উদ্দিন।
ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুর রহমান বলেন, “যাত্রীরা যাতে নিরাপদে যাতায়াত করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
আর্মস ব্যাটালিয়নের ওসি শান্তুনী বিশ্বাস বলেন, “বন্দরের প্রবেশদ্বারে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমার সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।”
কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান, নিরাপত্তা জোরদারের ফলে সরকারি রাজস্ব আয় বাড়ছে।