সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে রোকেয়া বেগম নামে এক রোহিঙ্গা নারীকে নাগরিকত্ব ও চারিত্রিক সনদ দেওয়ার ঘটনায় ভদ্রঘাট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলীকে পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কামারখন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ড. বিপাশা হোসাইন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি-১ শাখা থেকে লিয়াকত আলীকে অপসারণসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নাগরিক না হওয়া সত্ত্বেও রোকেয়া বেগমকে নাগরিকত্ব সনদ দেওয়ার ঘটনায় লিয়াকত আলীকে ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে এ বিষয়ে তাঁর কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হলে দেওয়া জবাব কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক হয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ৩৪(৬) ধারা অনুযায়ী তাঁকে পদ থেকে অপসারণ করা হয়।
ইউএনও ড. বিপাশা হোসাইন জানান, লিয়াকত আলীর পদ বহালের বিষয়ে উচ্চ আদালত থেকে আরও চার মাস সময় বাড়ানো হয়েছে। তবে মন্ত্রণালয় থেকে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২৫ আগস্ট জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) করতে গিয়ে রোকেয়া বেগম ও তাঁর স্বামী আনিছ রোহিঙ্গা শরণার্থী হিসেবে শনাক্ত হন। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে কামারখন্দ থানায় মামলা করা হয় এবং পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে।