পটুয়াখালীর দুমকিতে ১৩ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে দেলোয়ার খান (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার পায়রা টোল প্লাজার পশ্চিম পাশে খানবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শিশু ও তার পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে ফুফুর বাড়িতে যাওয়ার সময় দেলোয়ার খাবার ও আর্থিক সহায়তার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে পাশের একটি ভিটায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে শিশুটি বাধা দিলে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এ সময় শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
একপর্যায়ে শিশুটি সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করলে পেছন থেকে তার জামা টেনে ধরেন দেলোয়ার। এতে জামা ছিঁড়ে যায়। পরে শিশুটি দৌড়ে বাড়িতে গিয়ে মাকে ঘটনাটি জানায়।
পরিবারের দাবি, স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে শিশুটি স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে দুমকি থানায় গিয়ে মৌখিক অভিযোগ দেয়। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ রাতেই দেলোয়ারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
মঙ্গলবার সকালে শিশুটির মা বাদী হয়ে দুমকি থানায় মামলা করেন। পরে আটক দেলোয়ারকে পটুয়াখালী আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগ অস্বীকার দেলোয়ারের
অভিযোগ অস্বীকার করে দেলোয়ার হোসেন দাবি করেন, ষড়যন্ত্র করে তাঁকে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তিনি আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ৫ আগস্টের পর তাঁর দোকানে হামলা হয়েছিল বলেও দাবি করেন। দীর্ঘদিন পর আবার ব্যবসা শুরু করায় নতুন করে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে বলে তাঁর ভাষ্য।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দীন বলেন, ভুক্তভোগীর মা রাত ৩টার দিকে থানায় এসে অভিযোগ দিলে রাতেই দেলোয়ারকে আটক করা হয়। সকালে মামলা দায়েরের পর তাঁকে পটুয়াখালী আদালতে পাঠানো হয়েছে।