রাজধানীর হাইকোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামী লীগের ডাকা লকডাউন কর্মসূচির মধ্যে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, রবিবার ( ২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে হাইকোর্টের সামনের সড়কে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। তবে এতে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে শনিবার রাতেও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ১১টার পর শাহবাগে তিন নেতার মাজারের পাশে ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এর কিছুক্ষণ আগে রাত সাড়ে ১০টার দিকে কমলাপুর রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মের একটি নির্জন অংশে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
এদিকে শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটের দিকে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ইবাদুর রহমান নামে এক অটোরিকশাচালক আহত হন।
একই দিন রাজধানীর মিরপুর, মধ্যবাড্ডা ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জেও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যায় মিরপুরে দুটি বাস এবং মধ্যবাড্ডায় একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার সামনে সড়কে জব্দ করে রাখা একটি পিকআপে আগুন দেওয়া হয়।
এর আগের দিন শুক্রবার দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রাজধানীর অন্তত নয়টি এলাকায় ১৩টি ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। এসব ঘটনার মধ্যে মালিবাগ, আগারগাঁও, মহাখালী, বাবুবাজার, মগবাজার, যাত্রাবাড়ী, রামপুরা ও নিউমার্কেট এলাকা রয়েছে।
এ ছাড়া কাফরুল থানার সামনে একটি ফাঁকা বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঘটনাগুলোর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।