
এর আগে অপ্রতিমের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। সকাল সোয়া ১০টার দিকে সেখানে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বেলা সোয়া ১১টার দিকে গন্ধমতি ঈদগাহ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। দুই জানাজায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের বিপুল উপস্থিতি ছিল।
অপ্রতিম কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় সে। ওই সময় মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হওয়ার পর আর বাসায় ফেরেনি।
সন্তান নিখোঁজের পর অপ্রতিমের বাবা ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ গেটসংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের কাছের সানন্দা গ্রামের একটি ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার পর অপ্রতিমের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে তুহিন (১৯) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশ। পরে আনাস নামে আরও একজনকে আটক করে এসআরবি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মুঠোফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
ঘটনার বিস্তারিত জানাতে রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে জেলা পুলিশ।