১১ দলীয় ঐক্যের রংপুরমুখী লংমার্চ ঘিরে কোনো ধরনের উসকানিতে পা না দিয়ে নেতা-কর্মীদের সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান। শনিবার অনুষ্ঠেয় লংমার্চের প্রস্তুতি তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
গোলাম পরওয়ার বলেন, লংমার্চ কর্মসূচিতে বাধা না দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কোনো পক্ষ উসকানি দিলেও তাতে সাড়া না দেওয়ার জন্য জোটের নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা কারও উসকানিতে পা দেব না।’ কোনো ধরনের আঘাত এলেও প্রতিশোধ নেওয়ার পরিবর্তে শান্তিপূর্ণভাবে লংমার্চ সফল করাকেই গুরুত্ব দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জামায়াতের এই নেতা জানান, শনিবার সকাল ৭টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে প্রথম সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হবে। সকাল ৮টায় সমাবেশ শেষ হওয়ার পর লংমার্চটি ঢাকার উত্তর দিক দিয়ে গাজীপুরের টঙ্গী, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধা হয়ে রংপুরের দিকে যাবে। পথে বিভিন্ন স্থানে জনসভা ও পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।
লংমার্চে এক হাজারের বেশি গাড়ি অংশ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন গোলাম পরওয়ার। তাঁর দাবি, কর্মসূচির বহরকে স্বাগত জানাতে সড়কের দুই পাশে বিপুলসংখ্যক মানুষ অবস্থান করবেন।
তিনি আরও জানান, লংমার্চের প্রস্তুতি নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ১১ দলীয় ঐক্যের সংশ্লিষ্ট শাখার নেতাদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল সভা হয়েছে। সেখানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, কর্মসূচিতে ব্যাপক জনসমাগমের প্রস্তুতি রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
চট্টগ্রামমুখী লংমার্চের তুলনায় উত্তরবঙ্গমুখী এই কর্মসূচিতে বেশি সাড়া পাওয়ার প্রত্যাশার কথাও জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইনসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।