অন্তর্বর্তী সরকারের সহযোগিতায় জামায়াতে ইসলামী রংপুর দখল করেছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তাঁর দাবি, নির্বাচনের আগে রংপুর ও খুলনা বিভাগের প্রশাসনিক কাঠামো এমনভাবে সাজানো হয়েছিল, যাতে বিএনপির প্রার্থীরা ভোট পেলেও জামায়াতের প্রার্থীদের বিজয়ী দেখানো যায়।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু সাঈদ স্মৃতিস্তম্ভ ও তাঁর গুলিবিদ্ধ হওয়ার স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রাশেদ খান। তাঁর বক্তব্যের বিষয়টি একাধিক সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।
রাশেদ খান বলেন, রংপুরে বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থান শক্তিশালী। জাতীয় নির্বাচনে দলটির সাংগঠনিক সক্ষমতা ও জনপ্রিয়তার বিবেচনায় রংপুরের ছয়টি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছেন—এটি তাঁর কাছে অবিশ্বাস্য।
তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে রংপুর ও খুলনা বিভাগে প্রশাসনিক সেটআপে এমন পরিবর্তন আনা হয়েছিল, যার ফলে বিএনপিকে ভোট দেওয়া হলেও ফলাফলে জামায়াতের প্রার্থীদের বিজয়ী দেখানোর সুযোগ তৈরি হয়।
রাশেদ খান আরও বলেন, জামায়াতের পক্ষ থেকেই নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ হওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছিল। তাঁর দাবি, শেষ পর্যন্ত জামায়াতের আমির সেই নির্বাচন মেনে নিয়েছেন।
তবে রাশেদ খানের এসব বক্তব্য তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ ও দাবি হিসেবে এসেছে। এ প্রতিবেদনে তাঁর অভিযোগের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার বা জামায়াতে ইসলামীর কোনো পাল্টা বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে একই সফরে রাশেদ খান রংপুরে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ নিয়েও বক্তব্য দেন। তিনি অভিযোগ করেন, এ ধরনের কর্মসূচি আওয়ামী লীগকে আবারও মাঠে নামার সুযোগ তৈরি করতে পারে।