লিওনেল মেসির জন্য রাতটি ছিল রেকর্ড আর শিরোপার দ্বৈত উদ্যাপনের। ইন্টার মায়ামির হয়ে শততম গোলের মাইলফলক ছুঁয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। তাঁর গোল ও পরে করা অ্যাসিস্টে ক্রুজ আজুলকে ২-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ক্যাম্পেওনেস কাপ জিতেছে মায়ামি।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মায়ামির নু স্টেডিয়ামে ম্যাচের ২৪ মিনিটে লুইস সুয়ারেজের ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে গোলটি করেন মেসি। গোলটি শুধু ম্যাচে মায়ামিকে এগিয়েই দেয়নি, একই সঙ্গে ক্লাবটির ইতিহাসে মেসির গোলসংখ্যা ১০০-তে নিয়ে গেছে।
মায়ামির জার্সিতে শততম গোলের জন্য মেসির লেগেছে মাত্র ১১৫ ম্যাচ। আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মায়ামির হয়ে তাঁর প্রথম গোলটিও এসেছিল ক্রুজ আজুলের বিপক্ষে—২০২৩ সালে অভিষেক ম্যাচে যোগ করা সময়ে ফ্রি-কিক থেকে।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করলেও গোল পাচ্ছিল না মায়ামি। শেষ পর্যন্ত ৮১ মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে হেড করে বল জালে পাঠান ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরো। তাতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে যায় মায়ামির হাতে।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে ক্যাম্পেওনেস কাপের প্রথম শিরোপা পেল ইন্টার মায়ামি। প্রতিযোগিতাটিতে মুখোমুখি হয় মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) চ্যাম্পিয়ন ও মেক্সিকোর লিগা এমএক্সের চ্যাম্পিয়নরা। নতুন কোচ ক্রিস্তিয়ান ‘কিলি’ গনসালেসের অধীনেও এটি মায়ামির প্রথম ম্যাচ এবং শুরুতেই এসেছে শিরোপা।
মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে মেসির নেতৃত্বে ক্লাবটির শিরোপার তালিকাও দীর্ঘ হচ্ছে। ২০২৩ সালে লিগস কাপ, ২০২৪ সালে সাপোর্টার্স শিল্ড এবং ২০২৫ সালে এমএলএস কাপ জয়ের পর এবার ক্যাম্পেওনেস কাপ যুক্ত হলো। অর্থাৎ মেসি-যুগে টানা চার মৌসুমে চারটি শিরোপা জিতল মায়ামি।
ইন্টার মায়ামির হয়ে মেসির ১০০ গোলের মধ্যে ২০২৩ সালে ১১টি, ২০২৪ সালে ২৩টি, ২০২৫ সালে ৪৩টি এবং চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত ২৩টি গোল রয়েছে।
মায়ামির হয়ে শততম গোলের রাতে ম্যাচসেরার স্বীকৃতিও পেয়েছেন মেসি। এক গোল ও এক অ্যাসিস্টে দলের শিরোপা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নতুন মাইলফলকও নিজের করে নিয়েছেন এই তারকা।