
গাজা উপত্যকায় ধসে পড়া একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো শতাধিক মানুষ আটকা পড়ে আছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় উদ্ধারকারী দল। তাদের মধ্যে অন্তত ৫০ জন শিশু রয়েছে বলে দাবি করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) গাজার সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে এখন পর্যন্ত ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জীবিত অবস্থায় ১২ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে আরও বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা থাকায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উদ্ধারকর্মীরা জানান, আটকে পড়াদের কাছে পৌঁছাতে প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতির সংকট রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীরা নিজেদের কাছে থাকা সীমিত সরঞ্জাম ব্যবহার করেই ধ্বংসস্তূপ সরানোর চেষ্টা করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, ভবনটি এর আগে হামলায় আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। নিরাপদ আশ্রয়ের বিকল্প না থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটিতেই অনেক ফিলিস্তিনি অবস্থান করছিলেন।
উদ্ধারকারী দলের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় রাত প্রায় ১টার দিকে ভবনটি ধসে পড়ে। সে সময় ভবনের ভেতরে থাকা বেশির ভাগ মানুষ ঘুমিয়ে ছিলেন। ফলে ধসের পর অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে যান।
উদ্ধারকর্মীদের আশঙ্কা, সময় যত গড়াবে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা তত কমতে পারে। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত পৌঁছানো গেলে উদ্ধারকাজ আরও কার্যকরভাবে চালানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
গাজায় এর আগেও ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে দীর্ঘ সময় পর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। সাম্প্রতিক এক উদ্ধার অভিযানে ধ্বংসস্তূপ থেকে শতাধিক মানুষের মরদেহ উদ্ধারের তথ্যও জানিয়েছে আল জাজিরা।
সূত্র: আল জাজিরা