হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আধুনিক করতে ২৫টি নতুন এক্সপ্লোসিভ ট্রেস ডিটেক্টর (ইটিডি) সংযোজন করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। নতুন যন্ত্র পরিচালনায় এভিয়েশন সিকিউরিটির (এভসেক) ৪৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্থানীয় প্রশিক্ষণও সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানায় বেবিচক। প্রশিক্ষণে নতুন সংযোজিত NUCTECH TR2000DC মডেলের ইটিডি পরিচালনা, নমুনা সংগ্রহ, সন্দেহজনক পদার্থ শনাক্তকরণ, ফলাফল বিশ্লেষণ ও নিরাপদ ব্যবহারের বিভিন্ন দিক শেখানো হয়। মূল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরা প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন।
বেবিচক জানিয়েছে, অত্যাধুনিক এই প্রযুক্তি অতি সামান্য পরিমাণে থাকা বিস্ফোরক ও অবৈধ মাদকজাতীয় পদার্থ শনাক্ত করতে পারে। যাত্রীদের ব্যাগেজ, কার্গোসহ বিভিন্ন পৃষ্ঠে থাকা সন্দেহজনক পদার্থ দ্রুত শনাক্তে এটি সহায়ক হবে।
নতুন ইটিডি যুক্ত হওয়ায় বিমানবন্দরে বিস্ফোরক ও মাদক শনাক্তকরণের সক্ষমতা বাড়বে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে নিরাপত্তা তল্লাশির কার্যকারিতা বাড়ানোর পাশাপাশি সম্ভাব্য ঝুঁকি দ্রুত চিহ্নিত করতেও প্রযুক্তিটি ভূমিকা রাখবে।
বেবিচক আরও জানায়, আগামী নভেম্বর আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) অডিট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন ও নিরাপত্তাকর্মীদের প্রশিক্ষণ শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা প্রস্তুতিকে আরও শক্তিশালী করবে।
শাহজালালের পর চট্টগ্রামের শাহ আমানত, সিলেটের ওসমানী ও কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের জন্য একই ধরনের প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে আধুনিক বিস্ফোরক ও মাদক শনাক্তকরণ প্রযুক্তির ব্যবহার আরও সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।