
নিহত খাতুন বেওয়া উপজেলা সদরের তেঁতুলিয়া গ্রামের মৃত দবির ফকিরের স্ত্রী। গ্রেপ্তার শামসুল ইসলাম একই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শামসুল ইসলাম একজন মানসিক প্রতিবন্ধী। কয়েক দিন ধরে তার মা তাকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন। বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিবেশী নানী খাতুন বেওয়া রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে তাদের বাড়িতে যান। সেখানে শামসুলকে ঘরে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পেয়ে তিনি তালা খুলে দেন। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে শামসুল তার নানী খাতুন বেওয়াকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন এবং মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করেন।
পরে স্থানীয়রা আহত খাতুন বেওয়াকে উদ্ধার করে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে দুপচাঁচিয়ার চৌমুহনী এলাকায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাটি জানাজানি হলে গ্রামবাসী শামসুল ইসলামকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরে পুলিশ নিহত খাতুন বেওয়ার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ায় পাঠায়।
আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া জানান, এ ঘটনায় রোববার রাতে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্ত শামসুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার (৩১ আগস্ট) আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।