
শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে মহেশখালী থানা মাঠে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার ও মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট মো. অহিদুর রহমান পিপিএম এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুস সুলতান ও ওসি (তদন্ত) প্রতুল কুমার শীলের নেতৃত্বে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার ছোটমহেশখালী ঠাকুরতলা চৌরাস্তার মোড়ে পুলিশ চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় একটি সিএনজি অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে একটি ট্রাভেল ব্যাগের ভেতর থেকে আটটি অস্ত্র উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। একই সময় অস্ত্রের চালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সিএনজি থেকে দুজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরের হরিণখাইন দীঘিরপাড় এলাকার মোতাহের হোসেনের ছেলে মো. রুবেল মিয়া এবং মহেশখালী উপজেলার ছোটমহেশখালীর ঠাকুরতলা এলাকার মৃত মনিন্দ্র দের ছেলে মানিক দে।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে দুটি দেশীয় তৈরি রাইফেল, পাঁচটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক ও একটি এলজি। সব মিলিয়ে আটটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
মহেশখালী থানার ওসি মো. আব্দুস সুলতান জানান, গত ২১ আগস্ট উপজেলার শাপলাপুর মিঠাছড়ি এলাকার গহিন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র ও সরঞ্জামসহ একজনকে আটক করা হয়। এরপর জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে অস্ত্র উদ্ধারে মহেশখালীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশের তৎপরতা বাড়ানো হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে ঠাকুরতলা চৌরাস্তার মোড়ে পুলিশ চেকপোস্ট পরিচালনা করে আটটি অস্ত্রসহ দুজনকে আটক করতে সক্ষম হয়।
ওসি বলেন, অস্ত্র উদ্ধার এবং এর সঙ্গে জড়িতদের আটক করতে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করছিল। পুলিশের তৎপরতা টের পেয়ে অপরাধীরা বিভিন্ন সময় স্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে থাকত। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ তাদের ধরতে তৎপর ছিল। শেষ পর্যন্ত তারা পুলিশের হাতে আটক হয়েছে।
মহেশখালীতে অস্ত্রবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে ওসি মো. আব্দুস সুলতান বলেন, অস্ত্র উদ্ধারে সঠিক তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করতে তিনি সচেতন মহলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।