
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে সাদিয়া অসুস্থ হয়ে পড়লে কোনাবাড়ীর একটি ক্লিনিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে তাকে প্রথমে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং গত রোববার সকালে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়। রাতেই শিশুটির মরদেহ গ্রামের বাড়ি পঞ্চগড়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে সাদিয়ার অকাল মৃত্যুর খবরে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার পর স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের কান্নায় এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভূমিকা নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মশক নিধনে স্প্রে কিংবা মশা নিয়ন্ত্রণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি গাজীপুর সিটি করপোরেশন। নিয়মিত বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা অপসারণ না করার কারণেও মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।
যথাসময়ে মশা নিধনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে সাদিয়ার মতো নিষ্পাপ শিশুকে অকালে প্রাণ হারাতে হতো না বলে দাবি ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর।