রাজধানীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ঘোষিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান একদিনের কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে জানিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
তিনি বলেছেন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া। নাগরিকদের সচেতন ও সম্পৃক্ত করে ধীরে ধীরে ঢাকাকে ‘ক্লিন ঢাকা’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালী জোন-৩ আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত বিশেষ ‘পরিচ্ছন্ন সপ্তাহ’ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএনসিসি প্রশাসন জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি জোনে ‘ক্লিন উইক’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় মহাখালীতে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিটে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা প্রতিদিন নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন। তবে বিশাল আয়তন ও বিপুল জনসংখ্যার এই নগরীকে সম্পূর্ণ পরিচ্ছন্ন রাখতে শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; নাগরিকদেরও সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, চলার পথে টিস্যু, প্লাস্টিকসহ অন্যান্য বর্জ্য যেখানে-সেখানে ফেলার অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। প্রত্যেকে নিজের বাসাবাড়ি ও আশপাশের আঙিনা পরিষ্কার রাখলে নির্ধারিত সময়ের আগেই পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়ার লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে।
প্রশাসক আরও বলেন, ‘ক্লিন উইক’ শুধু একটি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নয়। এর মাধ্যমে নাগরিকদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি সচেতনতা তৈরি করাই মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ আব্দুর রহমান সানী।
এ ছাড়া ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মো. হুমায়ুন কবির, সচিব মো. আসাদুজ্জামান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক পরিচ্ছন্নতাকর্মী অংশ নেন।