
নিহতরা হলেন ওই বাসার বাসিন্দা হাজি আব্দুস সত্তার মিয়া, তার স্ত্রী এবং তাদের গৃহপরিচারিকা। স্থানীয়দের কাছে সত্তার মিয়া এলাকার একজন মুরব্বি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ওই বাসা থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে। তবে কীভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মঈনুল জাকির বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে বাসাটিতে তিনজনের মরদেহ থাকার খবর পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
ঘটনাটি হত্যা, আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।