ভারত থেকে ধারাবাহিকভাবে কাঁচামরিচ আমদানি অব্যাহত থাকায় দিনাজপুরের হিলি বাজারে দেশীয় কাঁচামরিচের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ৭০ টাকা কমে বর্তমানে দেশীয় কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। বাজারে সরবরাহ বাড়ায় দামের ঊর্ধ্বগতি থেমে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, মানভেদে দেশীয় কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ দুই দিন আগেও একই মরিচের দাম ছিল ২০০ টাকা। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ভারতীয় কাঁচামরিচের আমদানি শুরুর পর থেকেই বাজারে সরবরাহ বাড়তে থাকায় দাম দ্রুত কমতে শুরু করেছে।
বাজারে কেনাকাটা করতে আসা অটোরিকশাচালক মেজাস্মেল হক বলেন, কয়েকদিন আগেও কাঁচামরিচের দাম এত বেশি ছিল যে প্রয়োজনের তুলনায় কম কিনতে হতো। এখন ১২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে, এতে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম আরও কমবে বলে আশা করছি।
গৃহিণী সহিদা বেগম বলেন, কাঁচামরিচ প্রতিদিনের রান্নার অপরিহার্য উপকরণ। দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসারের খরচও বেড়েছিল। এখন দাম কমতে শুরু করায় সাধারণ মানুষের কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
হিলি বাজারের সবজি বিক্রেতা সোহেল রানা জানান, ভারত থেকে নিয়মিত কাঁচামরিচ আমদানি হওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম কমেছে। এর প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়েছে। ফলে আগের তুলনায় কম দামে দেশীয় কাঁচামরিচ বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে।
ব্যবসায়ী মো. বিপ্লব হোসেন বলেন, ভারতীয় কাঁচামরিচের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে বাজার আরও স্থিতিশীল হবে। এতে দাম আরও কমে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চলে আসবে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, ভারতীয় কাঁচামরিচের ধারাবাহিক আমদানির কারণে বাজারে সরবরাহ বেড়েছে এবং দেশীয় কাঁচামরিচের ওপর চাপ কমেছে। চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য সৃষ্টি হওয়ায় দাম দ্রুত কমছে। আগামী কয়েকদিন আমদানি স্বাভাবিক থাকলে কাঁচামরিচের দাম আরও সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।