যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় শহরের ফুড অফিস মোড়সংলগ্ন জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়। জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী, পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. হারুনুর রশিদ শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের পাশাপাশি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা, স্বাস্থ্য বিভাগ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, গণপূর্ত বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, জেলা বিএনপিসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। পরে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ মঞ্চে’ জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। একই স্থানে জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গীর সভাপতিত্বে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. সফিকুল বারী, পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. হারুনুর রশিদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ, সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মোখলেসুর রহমান, জুলাই শহিদ তারেক হোসেনের বাবা আশাদুল ইসলাম, জুলাই যোদ্ধা ইসমাইল হোসেন সিরাজী ও আব্দুর রাহিম, এনসিপির জেলা সদস্যসচিব নজরুল ইসলাম এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের শহর শাখার সভাপতি ইউসুফ গালিবসহ অন্যরা।
অনুষ্ঠান শেষে জুলাই শহিদদের কবর জিয়ারত করা হয়। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে জেলার হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র, ডে-কেয়ার সেন্টার, শিশু বিকাশ কেন্দ্র ও ভবঘুরে পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।