পাইকগাছায় আঁশফলের বাম্পার ফলন, ভালো দামে খুশি চাষি-ব্যবসায়ীরা

পাইকগাছা (খুলনা) সংবাদদাতা

সারাদেশ

খুলনার পাইকগাছায় চলতি মৌসুমে আঁশফলের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, রোগবালাইয়ের প্রকোপ কম থাকা এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শে এবার উপজেলার

2026-07-03T18:32:49+00:00
2026-07-03T18:32:49+00:00
  শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬,
১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
 
শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
পাইকগাছায় আঁশফলের বাম্পার ফলন, ভালো দামে খুশি চাষি-ব্যবসায়ীরা
পাইকগাছা (খুলনা) সংবাদদাতা
শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩২ পিএম 
ছবি ভোরের ডাক
খুলনার পাইকগাছায় চলতি মৌসুমে আঁশফলের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, রোগবালাইয়ের প্রকোপ কম থাকা এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শে এবার উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গাছে গাছে ফল ধরেছে। বাজারে আঁশফলের ব্যাপক চাহিদা ও ভালো দাম পাওয়ায় চাষি ও ব্যবসায়ীদের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।

স্থানীয় কৃষক ও কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গদাইপুর, রাড়ুলী, হরিঢালী ও কপিলমুনি ইউনিয়নে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা আঁশফল গাছে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ ফলন হয়েছে। স্থানীয়ভাবে কাঠলিচু বা লংগান নামে পরিচিত এই ফল লিচুর মতো থোকায় থোকায় ধরে এবং স্বাদে মিষ্টি হওয়ায় ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়।

বর্তমানে উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের কাঠিপাড়া বাজারে প্রতিদিন ভোরে আঁশফলের পাইকারি হাট বসছে। সেখান থেকে ব্যবসায়ীরা ফল কিনে খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা এবং রাজধানী ঢাকায় সরবরাহ করছেন। বাজারে প্রতি ১০০টি আঁশফল ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া একটি ফলভর্তি গাছ পাইকারিতে ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

তবে চাষিদের প্রধান দুশ্চিন্তার নাম বাদুড়। ফল পাকতে শুরু করলেই বাদুড়ের আক্রমণে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। এজন্য অধিকাংশ চাষিই গাছ নেট দিয়ে ঢেকে ফল রক্ষার ব্যবস্থা করেছেন।

আঁশফল ব্যবসায়ী উপজেলার মঠবাটী গ্রামের আলাউদ্দীন বলেন, ফল পাকার পর দ্রুত সংগ্রহ না করলে ঝরে পড়ে। আবার বাদুড় একবার গাছে বসলে এক রাতেই প্রায় সব ফল নষ্ট করে দেয়। তাই নেট ব্যবহার করা ছাড়া উপায় নেই।

কৃষি বিভাগ জানায়, পাইকগাছার মাটি ও জলবায়ু আঁশফল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। খরচ কম এবং পরিচর্যাও তুলনামূলক সহজ হওয়ায় প্রতি বছরই বাণিজ্যিকভাবে আঁশফল চাষে আগ্রহ বাড়ছে। বিশেষ করে এলাকার অনেক তরুণ উদ্যোক্তা এই ফলের বাগান গড়ে তুলছেন।

পাইকগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. একরামুল হোসেন বলেন, “চলতি মৌসুমে আঁশফলের ফলন অত্যন্ত সন্তোষজনক হয়েছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে চাষিদের নিয়মিত কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অল্প খরচে ভালো লাভ হওয়ায় ভবিষ্যতে এ অঞ্চলে আঁশফলের চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আমরা আশা করছি।

স্থানীয় বাজারগুলোতে এখন আঁশফল কিনতে ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ছে। ভালো ফলন ও বাজারদরের কারণে চলতি মৌসুমকে আঁশফল চাষিদের জন্য সফল মৌসুম হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।


Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: