স্বাদে অতুলনীয় হওয়ায় চাঁদপুরের ইলিশের বিশেষ চাহিদা রয়েছে দেশব্যাপী। আর এতে গেল মার্চ-এপ্রিল দুই মাস জাটকা রক্ষা কার্যক্রম শেষে চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাটে ইলিশের দাম ছিল আকাশচুম্বী। মৌসুমের শুরুতে ইলিশের সরবরাহ না বাড়লেও ক্রেতা সংকটে ভুগছেন ব্যবসায়ীরা। সপ্তাহের ব্যবধানে চাঁদপুরে কমেছে ইলিশের দাম।
গেল সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতি এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৩২শ থেকে ৩৫শ টাকা কেজি দরে। তবে সরবরাহ না বাড়লেও চলতি সপ্তাহে ইলিশের দাম কেজিপ্রতি কমেছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা। এতে এক কেজি ওজনের একেকটি ইলিশের দাম পড়ছে ২৫শ থেকে ২৬শ টাকা। আর আধা কেজি ওজনের ইলিশের দাম পড়ছে ১৫শ থেকে ১৬শ টাকা। আড়তদারদের দাবি, ঈদ পরবর্তী ঘাটে কমেছে ক্রেতার আনাগোনা। আর এতে প্রভাব পড়েছে দামে। বিক্রি না হওয়ায় হতাশ ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়িরা বলছেন, এমনিতেই মাছ কম। অল্প কিছু মাছ আসে তা খুচরা বিক্রেতা হিসেবে কিনে রাখি। কিন্তু ক্রেতা সংকট। কয়েকজন বিক্রিতা বলেছেন, ঈদের পরপর ইলিশ বাজারে সরবরাহ একেবারে কম ছিলো। কিন্তু যা ছিলো তাই বিক্রি হয়েছে। কিন্তু গেল কয়েকদিন ক্রেতা কমে যাওয়ায় হতাশ তারা।
এদিকে আতিক খান, আবদুল মজিদ ও রিয়াদ বেপারীসহ কয়েকজন ক্রেতার সাথে আলাপকালে জানান, ঘাটে এসেছি মাছ দেখতে দাম যদি সাধ্যের মধ্যে হয় অবশ্যই কিনবো। অপরদিকে কেউ কেউ মাছ কিনতে পেরে খুশি।
চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সভাপতি আবদুল বারি জমাদার মাকি বলেন, এ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে জেলে, আড়তদার ও খুচরা ব্যবসায়ী সবার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আমরা আশা করছি, সহসায় ইলিশ সরবরাহ বাড়বে নিশ্চয় ক্রেতাও বাড়বে। বর্তমানে চাঁদপুর মাছঘাটে ১ কেজি আকারের প্রতিকেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২৫-২৬শ টাকায়। যা কয়েকদিন আগে ছিলো ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা।