শেরপুরে তিন নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

অনলাইন ডেস্ক

সারাদেশ

ভারী বৃষ্টিপাত ও ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে শেরপুরের তিনটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে

2026-06-13T16:51:04+00:00
2026-06-13T16:51:04+00:00
  বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬,
২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
 
বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬
সারাদেশ
শেরপুরে তিন নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে
অনলাইন ডেস্ক
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৪:৫১ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
ভারী বৃষ্টিপাত ও ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে শেরপুরের তিনটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চলগুলোতে নতুন করে প্লাবনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) সকাল ৯টায় শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চেল্লাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। পাশাপাশি সোমেশ্বরী ও মহারশি নদীর পানিও বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।

অন্যদিকে ভোগাই নদীর পানি নাকুগাঁও পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৩৮ সেন্টিমিটার এবং নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৩২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানির স্তর দ্রুত বাড়ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এদিকে টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর বাজারে পানি প্রবেশ করেছে। স্থানীয়দের মতে, পানি ক্রমেই বাড়ছে, ফলে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে নাকুগাঁও পয়েন্টে ১৮০ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ীতে ৩৫ মিলিমিটার এবং শেরপুর সদরে ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এ ছাড়া মহারশি নদীর বিভিন্ন অংশে পানি বাঁধের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। কোথাও কোথাও বাঁধের পাশ থেকে মাটি সরে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, বৃষ্টিপাত কমে গেলে ঢলের পানি দ্রুত নেমে যাবে। বর্তমানে কোথাও বাঁধ ভাঙার তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের আয়নাপুর বাজারেও পানি প্রবেশ করেছে। এতে দোকানপাট ও চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে নালিতাবাড়ী উপজেলায় কয়েকদিন আগের টানা ঢলে বর্ডার রোডসহ একাধিক সড়কও পানিতে তলিয়ে যায়।

শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, নতুন করে ভারী বৃষ্টি না হলে আগামী সময়ে পাহাড়ি ঢলের পানি ধীরে ধীরে নেমে যাবে। তবে আপাতত নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি থাকায় সতর্ক অবস্থায় রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।


Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: