আম চাষে বাজিমাত সফল উদ্যোক্তা বকুলের

গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) সংবাদদাতা

সারাদেশ

আম বাংলাদেশের বিভিন্ন অর্থকারী ফসলের মধ্য অন্যতম। বাংলাদেশে যেসব ফল রয়েছে তার মধ্যে আমের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। এই মধু মাসের

2026-06-09T11:27:09+00:00
2026-06-09T11:27:09+00:00
  সোমবার, ২২ জুন ২০২৬,
৮ আষাঢ় ১৪৩৩
 
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
সারাদেশ
আম চাষে বাজিমাত সফল উদ্যোক্তা বকুলের
গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) সংবাদদাতা
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১১:২৭ এএম 
সংগৃহীত ছবি
আম বাংলাদেশের বিভিন্ন অর্থকারী ফসলের মধ্য অন্যতম। বাংলাদেশে যেসব ফল রয়েছে তার মধ্যে আমের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। এই মধু মাসের শ্রেষ্ঠ ফল হলো আম। আর এই লোভনীয় ফলটি উৎপাদন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর পৌর এলাকার তরুণ উদ্যোক্তা সামিউল আওয়াল বকুল। 

নিজের টেলিকম ব্যবসার পাশাপাশি আম বাগান করে পুরো উপজেলাজুড়ে এখন সফলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তিনি। তার এই অভাবনীয় সাফল্য দেখে স্থানীয় তরুণ উদ্যোক্তাদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে। তার বাগানের গাছে গাছে ঝুলে থাকা আম দেখে বেশ মুগ্ধ হচ্ছেন দর্শনার্থী ও স্থানীয় আম চাষিরা।

বকুলের বাগানে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সারি সারি গাছে ঝুলে আছে নজরকাড়া ব্যানানা ম্যাঙ্গো, আম্রপালি (রুপালি) ও বারি-৪ জাতের আম। আধুনিক কৃষি পদ্ধতি ব্যবহার করে তিনি প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে এই বিশাল আম বাগান গড়ে তুলেছেন। তার বাগানের প্রতিটি গাছে আমের ফলন এত বেশি যে, আমের ভারে ডালগুলো মাটিতে নুয়ে পড়ার উপক্রম।

পেশায় তিনি টেলিকম ব্যবসায়ী হলেও কৃষির প্রতি প্রবল ইচ্ছা থেকেই এই আম বাগান শুরু করেন তিনি। তার এই কঠোর পরিশ্রম এখন সার্থকতার দ্বারপ্রান্তে। আবহাওয়া ও বাজারদর অনুকূলে থাকলে এ বছর তিনি প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লক্ষ টাকার আম বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন।

বকুলের এই অভাবনীয় সাফল্য দেখে স্থানীয় অনেক যুবকই এখন আম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। স্থানীয়দের মতে, বকুলের এই বাণিজ্যিক আম বাগান কৃষি অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সঠিক পরিচর্যা আর আধুনিক জাত নির্বাচনের কারণেই তিনি আজ প্রশংসায় ভাসছেন।

সবকিছু ঠিক থাকলে এই চলতি মৌসুমে বকুলের বাগান থেকে বিপুল পরিমাণ আম দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যাবে, যা তাকে একজন সফল কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

সামিউল আওয়াল বকুল বলেন, আমি টেলিকম ব্যবসার পাশাপাশি নতুন কিছু করার পরিকল্পনা থেকেই এই বাগানটি তৈরি করেছি। বিশেষ করে বিদেশি জাতের আমের চাহিদা ও ফলন দেখে আমি অভিভূত হয়েছিলাম। আমার এই বাগানে ব্যানানা ম্যাঙ্গো, আম্রপালি (রুপালি) ও বারি-৪ জাতের আম রয়েছে। ১৫ বিঘার এই আম বাগানে প্রায় ২ হাজার ৪থশত গাছ রয়েছে । বিঘা প্রতি বাগানে খরচ হয়েছে ৩৩ হাজার টাকা। বাগানের আম হতে আয় হতে পারে ১৮ থেকে ২০ লক্ষ টাকা। আগামীতে আমার এই ব্যবসা আরো সম্প্রসারিত করার ইচ্ছে আছে। তবে তরুণদের উদ্দেশ্যে আমি এ কথায় বলবো চাকরির পেছনে না ছুটে আধুনিক কৃষিতে মনোনিবেশ করলে অনেক লাভবান হওয়া যাবে।

গোমস্তাপুর উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা গানিউল ইসলাম জানান, নিরাপদ ফসল উৎপাদন আমাদের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ। বকুল নতুন উদ্যোক্তা তাই আমরা তাকে প্রথম থেকেই বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে এসেছি। নতুন এই উদ্যোক্তা টেলিকম ব্যবসার পাশাপাশি আম চাষে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করে কৃষিতে নতুন দ্বার উন্মোচন করেছে।



Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: