শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার বাকাকুড়া গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় এক কিশোর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে।
রবিবার (৩১ মে) বিকাল ঝিনাইগাতীর বাকাকুড়া গ্রামের বিয়ের অনুষ্ঠানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিয়ের অনুষ্ঠানে নাজমুল হাসান সাব্বির (১৬) নামে এক কিশোরকে মারধর করা হয়। তার ফুফু আউলিয়া অভিযোগ করেন, নাজমুলকে রক্ষা করতে গেলে তার ওপরও হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত নাজমুলকে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তার পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ঝিনাইগাতী উপজেলা ওয়ালামা দলের আহ্বায়ক আবুল হোসেন সরকারের ভাতিজা রুমান ও রাসেলসহ কয়েকজন এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
অন্যদিকে, একই ঘটনায় মো. রাসেল রানা নামে আরেক ব্যক্তি পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি দাবি করেন, গত ৩১ মে বিকেল প্রায় ৩টার দিকে ওই বিয়ের অনুষ্ঠানে তার ওপর পূর্বপরিকল্পিত হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা তার পকেট থেকে ১০ হাজার ২০০ টাকা, স্বর্ণালংকার এবং নগদ প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাসেল রানার অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার সময় দেশীয় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় ১৫ বছর বয়সী আরেক কিশোর ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছে। আহত কিশোর বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অভিযোগে জিবরাইলকে প্রধান সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম বলেন, বিয়ে বাড়িতে হামলার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং দুই পক্ষের রুমান ও জিবরাইলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।