শার্শায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ১৬ হাজার গবাদিপশু : সরগরম সাতমাইল পশুহাট

শার্শা (যশোর) প্রতিনিধি

সারাদেশ

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তম যশোরের শার্শা উপজেলার সাতমাইল পশুর হাট। হাট জুড়ে

2026-05-26T11:54:16+00:00
2026-05-26T11:54:16+00:00
  মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬,
৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
 
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
শার্শায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ১৬ হাজার গবাদিপশু : সরগরম সাতমাইল পশুহাট
শার্শা (যশোর) প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:৫৪ এএম 
সংগৃহীত ছবি
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তম যশোরের শার্শা উপজেলার সাতমাইল পশুর হাট। হাট জুড়ে এখন দেশীয় গরুর সমারোহ। ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের গরু নিয়ে হাজির হয়েছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা। তবে এবার বড় গরুর তুলনায় ছোট ও মাঝারি গরুর প্রতিই ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি।

মঙ্গলবার পশুহাট ঘুরে দেখা যায়, হাজারো গরুর হাঁকডাকে মুখর পুরো বাজার এলাকা। যশোরসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা খামারি ও ব্যবসায়ীরা তাদের গরু নিয়ে বসেছেন। পর্যাপ্ত পশুর সরবরাহ থাকলেও এখনো ক্রেতার চাপ তুলনামূলক কম। তবে বিক্রেতাদের আশা ঈদের আগের শেষ হাটে বেচাকেনা আরও জমে উঠবে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দফতর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলায় কোরবানির জন্য প্রায় ১৬ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে গরুর সংখ্যা ১৩ হাজার ১০০টি। বিপরীতে উপজেলায় চাহিদা রয়েছে ১২ হাজার ৭২৬টি পশুর। ফলে কোরবানির পশুর কোনো সংকট থাকবে না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

হাটে আসা ক্রেতাদের ভাষ্য, গত বছরের তুলনায় এ বছর গরুর দাম কিছুটা সহনীয় হলেও ছোট ও মাঝারি গরুর দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। কারণ সাধারণ মানুষের বাজেটের মধ্যে এসব গরুর চাহিদাই বেশি।

শিরাজুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা বলেন, একটি গরুর দাম প্রথমে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা চেয়েছিলেন এক খামারি। অনেক দরদামের পর ৯০ হাজার টাকায় কিনেছি। তার অভিযোগ প্রতিটি গরুর দামের চেয়ে বেশি দাম আকাছেন খামারিরা। খামারিদের অভিযোগ গো-খাদ্যের দাম যে ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে করে কাঙ্ক্ষিত দাম না পেলে লোকসানের মুখে পড়বে খামারিরা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তপু কুমার সাহা বলেন, এবার উপজেলায় কোরবানির পশুর সরবরাহ চাহিদার তুলনায় বেশি। প্রতিটি হাটে মেডিকেল টিম কাজ করছে। পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, গর্ব পরীক্ষা, অসুস্থ পশুর চিকিৎসাসহ সার্বিক মনিটরিং করা হচ্ছে। কৃত্রিমভাবে মোটাতাজাকরণ করা পশু যাতে বাজারে না আসে, সেদিকেও কঠোর নজরদারি রয়েছে।

সাতমাইল পশুর হাটের পরিচালকের পক্ষে থেকে জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন,  কোরবানি ঈদ উপলক্ষে  হাটে পর্যাপ্ত গবাদিপশু উঠেছে। ক্রেতার চাপ একটু কম থাকলেও ঈদের শেষ দিকে বেচাকেনা বৃদ্ধি পাবে।

সাতমাইল পশুহাটের ইজারাদার আলহাজ্ব কুদ্দুস আলী বিশ্বাস জানান, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সাতমাইল পশুরহাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক সমাগম ঘটেছে। হাটে দেশীয় গরু, ছাগল পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। আগাত ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। হাটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক টিমও কাজ করছে। আশা করছি, ঈদের আগ মুহূর্তে বেচাকেনা আরও বাড়বে।

এদিকে হাটে স্থানীয় পাইকারদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতে। গ্রাম থেকে গরু- ছাগল কিনে সাতমাইল পশুহাটে বিক্রির জন্য নিয়ে আসছেন। সব মিলিয়ে কোরবানির ঈদ সামনে রেখে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে উঠেছে দেশের দক্ষিণ- পশ্চিম অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সাতমাইল পশুর হাট। এখানে সপ্তাহে দু'দিন শনিবার ও মঙ্গলবার হাট বসে।


Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: