পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে টানা ৭দিন পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সময় বন্দরে সকল বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্থগিত থাকলেও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে বৈধ পাসপোর্ট-ভিসাধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।
সোমবার (২৫ মে) দুপুরে হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ শাহীনুর ইসলাম জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ থেকে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত বন্দরের মাধ্যমে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি ইতোমধ্যে ভারতের ব্যবসায়ীদেরও চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এই সময় বন্দরের বেসরকারি ওয়্যারহাউজ পানামা পোর্টের অভ্যন্তরে পণ্য লোড-আনলোড কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে। আগামী ১ জুন থেকে পুনরায় বন্দরের সকল কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে। বর্তমানে শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহের ছয়দিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, বন্দরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। সপ্তাহের সাতদিনই ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট খোলা থাকবে।
অন্যদিকে, হিলি স্থল কাস্টমস স্টেশনের ডেপুটি কমিশনার অব কাস্টমস (উপ-কমিশনার) সন্তোষ সরেন জানান, সরকারি ছুটি ব্যতীত কাস্টমসের অফিসিয়াল কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে। ব্যবসায়ীরা চাইলে শুল্ক ও কর পরিশোধ করে বন্দরে থাকা পণ্য খালাস নিতে পারবেন। এ লক্ষ্যে কাস্টমস কর্মকর্তারা দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
এদিকে বন্দরের বেসরকারি ওয়্যারহাউজ পানামা পোর্ট সূত্র জানায়, ঈদের ছুটি শেষে আগামী ১ জুন থেকে পুনরায় বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হলে হিলি স্থলবন্দর আবারও স্বাভাবিক কর্মচাঞ্চল্যে ফিরে আসবে।